চৌধুরী ফাহাদ; জন্ম ৩০ সেপ্টেম্বর, কক্সবাজার
♦লিখতে লিখতে লেখকের ভাবনা ও প্রকাশে তার নিজস্ব একটা ছাঁচ গড়ে ওঠে♦
স্বকীয়তা আর স্বতঃস্ফূর্ততার মধ্যে কোনটি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ? এ দুয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি?
প্রতিটি লেখকই স্বকীয়তায় আলাদা এবং এটা লেখকের মজ্জাগত। লিখতে লিখতে লেখকের ভাবনা ও প্রকাশে তার নিজস্ব একটা ছাঁচ গড়ে ওঠে। আপনি চাইলেই এটাকে বাদ দিতে পারেন না। আর স্বতঃস্ফূর্ততা প্রতিটি লেখক এবং লেখার জন্য গুরূত্বপূর্ণ। কোন লেখককে যদি আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে কিছু লিখতে দেন তবে সে লেখায় তার অবয়ব বা প্রাণচঞ্চলতা নাও আসতে পারে। কিন্তু স্বাধীনভাবে যে সব বিষয়ে তিনি লিখছেন সেখানে উজ্জ্বলতা সহজে টের পাওয়া যায়। কারণ সেই সব লেখা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছে। এই দুইটার শব্দগত পার্থক্য খুঁজে পাবেন, কিন্তু ব্যবহারিক দিক দিয়ে সেটা আর থাকে না। স্বতঃস্ফূর্ত লেখায় লেখকের স্বকীয়তাও বিদ্যমান।
♦প্রারম্ভিক হিসাব করলে দশক গুরুত্বপূর্ণ এবং তাকে ছেঁটে ফেলার অবকাশ নাই। কিন্তু ইতিহাস কালোত্তীর্ণকে ধারণ করে রাখে♦
কবিতার কথা উঠলেই দুটো প্রসঙ্গ চলে আসে—ছন্দ এবং দশক। দুটো বিষয় নিয়ে আপনার কী পর্যবেক্ষণ?
পৃথিবীর সবকিছুতেই ছন্দ। জলপতন যেমন ছন্দ, নিঃশ্বাসও তেমন ছন্দই। আমরা মানুষ এই ছন্দের মাঝে ঘুরে ঘুরে যে শেষ গন্তব্যে ফেরে সেটাও ছন্দ। ছন্দ ছাড়া কিছুই নেই। একটা গদ্যের ভেতরেও ছন্দের খোঁজ পাবেন, যদি খোঁজেন।
অনুপ্রাণন প্রকাশন, প্রচ্ছদ : দেবাশীষ মজুমদার
বর্তমানই শুধু দশক মনে রাখে, কাল তা মনে রাখে না। দশক হিসাবে লেখক আসে, আসবে। প্রারম্ভিক হিসাব করলে দশক গুরুত্বপূর্ণ এবং তাকে ছেঁটে ফেলার অবকাশ নাই। কিন্তু ইতিহাস কালোত্তীর্ণকে ধারণ করে রাখে।
নিজের পাঠকের জন্য আপনার পছন্দের কিছু বইয়ের নাম বলুন।
সুনির্দিষ্ট করে কোন লেখক বা বইয়ের নাম বলতে চাই না। পাঠকের প্রতি একটাই অনুরোধ, পড়ুন। যেভাবে ইচ্ছে, যেভাবে ভালো লাগে, যা ভালো লাগে, পড়ুন। পড়া নেশার মত, পড়ার নেশা পেয়ে বসলে আপনি সব পেয়ে যাবেন এবং সেখান থেকেই বুঝে নিতে পারবেন কোনোটা আপনি গ্রহণ করবেন কি বর্জন করবেন। পড়ুন...