তিনটি সুতীক্ষ্ণ আইসোবার তির...
একটি নিঝুম ~ এলিমেন্টস থেকে প্রতি রাতেই ~ পঞ্চম স্বীকার্য ডানা মেলে নীল লিবিডো বুদ্বুদ ~ বের হয়ে আসে ~ রাত্রির গহ্বর থেকে স্ট্রিং’এ অগ্নিনৃত্য কামশাস্ত্রে ~ উইপোকার চোরারাস্তা তিনটি সুতীক্ষ্ণ আইসোবার তির ~ আমাকেই ভালোবাসে স্বপ্নের চোখে ~ আমি বসিয়ে দিয়েছি লাল সমুদ্র কপালে নীল আকাশ দশটি মসৃণ নখর ~ জ্যোৎস্নার মতো জ্বলজ্বল করে তীব্র হীম আঁচড় কেটে যায় খনিজ বেদনা ~ কী কারণে জেগে উঠতে চায়
সোনালীহলুদ → NaCl...
আয়নিক বন্ধন থেকে ~ একটি ইলেকট্রন ~ হ্যাক হয়ে গেলে এক জোড়া পাখি ~ একা হয়ে যায় একটি পাখি ধীরে ধীরে অস্তিত্ব হারায় ক্রমাগত স্বপ্নের বায়ুমণ্ডল ~ নুনহীন হয়ে পড়ে প্রেমদাসকে লবণ পরীক্ষায় কত মার্ক দেওয়া যায় অন্তর্মুখী ভাবনায় ডুবতে ডুবতে আমার হট্ কেক ~ নুনশূন্য হয়ে ওড়ে যাচ্ছে
বোধি বৃক্ষ....
অস্তিত্ব কুণ্ডুলী পাকিয়ে আছে প্রখর শূন্যতায় বোধিবৃক্ষ জটপাকিয়ে আছে ~ মস্তিষ্কের ভাঁজে ভাঁজে অসাড় পৃথিবী ~ লবণ দ্বীপের ফসিল হয়ে আছে... আমাদের হাড় হাড্ডির রেণুতে ~ দাঁড়িয়ে আছে এ কোন্ ইতিহাস অনেক গহিন গভীরে ডুব দিয়ে দেখি ~ নেপথলিন চাঁদ ~ তুষার জ্যোৎস্নায় পাল তুলেছে ~ উত্তুঙ্গ উন্মাদনায় ছেঁড়া স্বপ্ন গিঁট দিতে দিতে ~ এক দল ঢেউ দোলা দিয়ে যায় আকাশ সমান জ্যোৎস্নায় ভেসে ভেসে ~ মৃত্যু সমান শান্তির ~ নিজ্ঝুম নিশ্বাস নির্জর রশ্মি নির্জন শূন্যতায় ছড়িয়ে যাচ্ছে~ক্রমাগত ছড়িয়ে যাচ্ছে মৃদু উন্মাদনায় দেহ বেয়ে বেয়ে ~ একটি সাপ ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী ঈষৎ বেঁকে ফণা তুলে আছে ~ সপ্তর্ষি
হরিৎ বর্ণের কাঠপেন্সিল...
একটি হরিৎ বর্ণের কাঠপেন্সিল ইন্দ্রিয় ভ্রমণে ~ পৌঁছে গেল ~ বন্য জ্যোৎস্নার তেপান্তরে ফসিল বাস্তবতায় ~ দু’টি পেঁচার গম্ভীর কথোপকথন ..... ..... ..... ..... ..... পালকের আসর থেকে ঝরে পড়া একটি পালকে মিশে ছিল ~ ইতিহাস পারফিউম তখনও ফলের রসায়ন প্রবাহিত হয় নি ~ পেন্সিল বৃক্ষে বসন্ত ছিল ~ মাইল খানেক দূরে ইলেকট্রিক করাতের গর্জনে ~ ছিটকে পড়ল ~ যে নীড়টি তার মাঝে লুকিয়ে ছিল একজোড়া আকাশ আকাশ দু’টি ভেঙ্গে পড়ল ~ উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিমর্ষ গোধূলি নিয়ে একঝাঁক জংলি পিঁপড়াকে বাতাস এসে দিয়ে গেল এইসব খবর খনি ছিঁড়ে যখন কার্বন রেণু সরল হয়ে ঢুকে গেল ~ পেন্সিলের দেহে তখনই ~ বোধি প্রাপ্ত গৌতম সম হয়ে উঠল ~ কাঠপেন্সিল সঙ্গী হলো ~ সার্পনার ও ইরেজার আর তখন থেকেই তাদের সম্পর্কের মাঝে ~ ঝুলে আছে একটি বিষমবাহু ত্রিভুজ সময় ঋণাত্মক হতে হতে ~ আমিও কি ঢুকে পড়েছি সবুজ আঁধারে
আত্মঘাতী ত্রিভুজ...
একটি ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ বিন্দুতে ধর্ম ~ বিজ্ঞান ও আমিত্বকে ~ বসিয়ে দিলে ত্রিভুজটি আর ত্রিভুজ থাকে না ~ ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় রেখাগুলো মর্মঘাতী হয়ে ওঠে ~ মহাবিশ্বে ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ে এক জোড়া নীল পা~ভীমরুলের চাকে বসে ~ ভাবনার সমুদ্রে ডুবে যায় ইন্দ্রিয়ের মাঝে ~ জন্ম নেয় ~ এক বৃহৎ ~ কৃষ্ণ চোখ
শূন্যতার~সার্কেল...
জলে স্থলে ~ তন্ত্রে তন্ত্রে ~ পরমাণুর অভ্যন্তর ~ জগতে ব দ্বীপ ভাসিয়ে আকাশগঙ্গার জোয়ার ভাটা পৌঁছে দিচ্ছে ~ এই শূন্যতা ~ শূন্য ~ শূন্যে এক একটি ~ নাক্ষত্রিক যাত্রা ~ এইখান থেকে ~ দূর নক্ষত্রের গ্রামে কামে ~ অকামে ~ তন্দ্রায়~জাগরণে স্বপ্নের আস্তরণ ভেঙেচুরে ~ এক একটি উষ্ণ ~ নাতিশীতোষ্ণ দীর্ঘশ্বাস এক একটি দাগ পবিত্র প্রেম ভস্ম এক একটি কক্ষপথ জানে ~ এই চক্র ~ শূন্য ~ শূন্যে গ্রহে গ্রহে ~ উপগ্রহে নক্ষত্রের গ্রাম ছাড়িয়ে ~ দূরে আরো এক নক্ষত্রের গ্রামে অনন্ত আদি অন্তে
{ ( ভালোবাসা ) }÷{ ( ঘৃণা ) } = ধ্রুবক
আমাদের সম্পর্ক ভগ্নাংশের উপরের সংখ্যা ~ যদি ~ “ভালোবাসা” হয় তাহলে নিচের সংখ্যার নাম ~ “ঘৃণা” যা আমাদেরকে→ অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র করে দিচ্ছে অবশেষ আকাশগঙ্গায় ~ যে ধ্রুবক জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে তার নাম কী... সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পথ ধরে ~ হেঁটে যায় ~ এক বিমর্ষ জোকার