পাতি
দুঃখ যেদিকে সেদিকেই বর্ণমালা নির্মিত চাঁদ যাবে মাথায় মাথায় হাট বসবে দুঃখ আর দারু যেখানে খয়েরি ক থেকে কত খ থেকে খালি পাতা উড়লে ভাষা এত রোগা হয় মোমের ডগায় স্তিম স্তিম সামান্য হলুদ মাখা আলো, চাঁদ আর কী করবে শাদা আঁকে নদীর জল, আধলা ব্রিজ, মানুষের তখনকার দাঁত আর সে সামান্য হেলান দেয়া এইসব বানাতে বানাতে...বকপাতি
শীত এল নাকি জলে, যে জল ব’লে উঠবে কী ঠাণ্ডা তোমার মুখ এবার শরীর যে শরীর শীতলপাটির, কে যেন সব ছেড়ে প’ড়ে আছে কে যেন ছেড়ে দিচ্ছে ব’লে অফস্টাম্প যত ঘুম বাঁ-দিকে তোমার মুখের বাঁ-দিকে প’ড়ে পাওয়া সকলি দক্ষিণ তাই সকলিকাও হাওয়া চিরে আলতো-জ্বলা বেলুড় পাঠালো শীত করে *** শীতে ক’রেই তো এ আমার এই আমি হয়ে ওঠা বল ছেড়ে দিই ধ’রে আর কী হবে যখন সেলাই তাকিয়ে আছে কাজ করার সময় আছে আছে লম্বা নাইটশিফট চা বিয়ারিং-এ সাপ্টানো বলটল নিয়ে খেজুরে জ্যোৎস্নাও কি ব’লে উঠবে মুখ আর সীমানা হ’তে চাইছে না...
হাতপাতি
বাড়ি ফেরার দিকে ঘর ঘর আবার বাসাও মালঞ্চ, দেখি মালঞ্চের বেড়া তোমাকে না দেখেও তুমি আজ ডুবছে আমার সব এই লক্ষ্মীট্যারা কিওস্কে আমি মুছে দেয়া আমি আবার কিভাবে বেড়া আর সজনেছায়া তুমি আর রোলকল ‘তুমি আজ কত দূরে’ হ’য়ে স্টিম ঝিকঝিক রোদের আধারে ওড়া দুপাট্টা আজও হাওয়ায় ঘরে বাসায় বাড়িবাড়িতে ওড়ে, পাখি হয় আমি আমার রাইফেল চলল চলল *** দরজা বন্ধ ছিল ফেরার কথাও তো ছিল আমি নক করছি ক’রে যাচ্ছি করেই যাচ্ছি এখনো...
পাতি বুর্জোয়া
আমার বাবা, মা, আমি আমাদের সেতার ছিল না ইচ্ছে করে তারের দিকে ছুড়ে দিতাম হেমন্ত কি মান্না ফ্রক মুচকি শাড়ি খিল্লি আর প্যান্টের ‘সানলাইট’ আমি মিছিলেও যেতাম, আজকাল, কালকাল, মিছিল ছাদের কার্নিশে চলছে চলবে পর্যন্ত শাড়ি মুচকি ফ্রক খিল্লি প্যান্টে অস্তগুঁড়োর রেণু, কী লম্বা মিছিল না না না না না না না বলল, আর বলেই টিঁকিয়ে দিল আমার, আমার বাবা মা’র সেতার শোনার ইচ্ছে সেতার না কেনার ক্ষমতা *** ছাদ থেকে নামে আসি, আমি নেমেই বাবা সেই কালো রঙের কথা বলল মা শুধুই শাদা আমাদের সেতার ছিল না, আমাদের কোনো বোনও ছিল না