বালকবংশ
সন্ধ্যাই নামুক কেউ কাউকে না হয় নাই চিনলাম; অঝর তুষারে শুধু ফেরা চিহ্ন বালক ভুলেই যাক... ধবল কাঁসায় জমুক— একলা একটা হিম চিৎকার! পায়ের ছাপেতে তবু যদি চমকেই উঠি ভাবি—বুকে কে রেখেছিলো পা...? সন্ধ্যাই নামুক... . # ছিরি নেই...থাকেও না বাছাবাছি সয়ে এইসব জানবার আনাগোনা ক্ষয়ে যায়; কাছে থাকে কথা বিতিকিচ্ছি কথা সারাজীবন এখন কাকে বলি? . # আকুলের শুকনো কাগজ দলা হয়ে গহন শুকায়; আজকাল ব্যথাও করে না শুধু রক্তের চালেতে নুন বৃষ্টি নুন বৃষ্টি; খবরদার, ভালোবেসো না... সাঁকো ভেঙে যায় দলা হয়ে গহন শুকায় তারপর ব্যথা মরে যায়-ব্যথা মরে যায় দু’জন সুখেই আছি...? . # ঘুমের খেলনাবাটি কাছে রেখে নালিস ভাবনা ভুল। এর নাম জেগে থাকা-জেগে থাকা... ভিনপাড়ায় গহন রাত। ঠাহরে আলতো পাখি। খুব কাছে বাজ পড়ে-বাজ পড়ে। এইসব সংসারি রোগ। জানি, মরে যাওয়ারই কষ্ট নিয়ে মানুষেরা হাঁটে। অলস সুখের কিচ্ছা বলে। চোখে নাও গ্রাম... সেইসব লিখতে লিখতে কল্পনা বাজুক। বালিশের চুল গন্ধ ভুলে যাক তোমার আখ্যান। তারচেয়ে প্রশ্ন করো—প্রশ্ন করো... কেন জেগে থাকি? . # স্মৃতি দেশলাইয়ের কাঠি বেয়ে ওঠা নিরন্তর পিঁপড়ের সারি ভুল করে কেটে যাওয়া হাতে শ্যাওলা-দেয়াল; স্মৃতি ভেজা...বিষণ্ণ জালের মতো ভেজা তারপরও—ডাকাত পাড়ায় ভীষণ গিয়েছি ধারাপাত শিখতে শিখতে ডুবের বৈঠায়... হারিয়ে ফেলেছি মাঘ মাখা বৃষ্টি ফোঁটা। তোমার কাছে কি? পাহাড় পাহাড় ডাকি বালক-বংশ বিষে ফেলে আসি শার্ট অন্যজন্মে কাঁধে নখ-আঁচড়ের আকুল দাগ মিথ্যে লাগে... সিঁড়ি নড়ে...চুরমার হয়ে নড়ে ভেঙে যায় ঝড়ের সতর্কবার্তা জানালায় ফিসফিসানির ভুত শোঁ শোঁ সুরে বাড়ে সকল ডাকাত পাড়া ভেঙে পড়ে ভেঙে পড়ে... আমার দেহে কি?