ভজনদেশে শিষ্যই গুরু
তুমি যাচ্ছিলে নির্স্থান, তুমি যাচ্ছ অথচ পথের সময়টুকুও অপেক্ষায় নেবে না কেউ! যেখানে যাবে, সে পর্যবসন এসে তোমাকে নিয়ে যায়, তুমি যেয়ে যাও যেখানে যাচ্ছ, নিক্ষেপে। নিরিচ্ছারাও চায়—তোমার যাওয়া হয়ে যাক পূর্বপথ ধরে এগিয়ে যাবে? একটা শপথ পড়ে থাকতে দেখে (যার একপাশে আমার হাত ছিল), ফিরে এলে আবার আমিও তাহলে যাব কিনা, সঙ্গে। তুমি এসেই গুরু, লুটিয়ে পড়লে পায়ে! আমিই কি সেই, সবকিছু যে হারাতে পেরেছে?
ঘোড়া
কোন প্রত্যাখ্যানের ভয় দেখাও? প্রত্যাশা কোন নুয়ে পড়েও ছুঁতে পারে নি, অকারণেই লেংটি উঁচিয়ে হর্সপাওয়ার মাপো। তোমাদের সব ভাবভাণ্ডই সমকামী মনে হয়, তোমরা কি এক অনেক এক শুনলাম সূর্য সেও ঘোরে
গতি
তাদের বাসা ছিল। পাখির কৃষকের অগ্রসর চোখের ভেতর দৃশ্য করে দাঁড়াত, আসন্ন ছবি থেকে তাদের চোখ, মুছে দিত ভবিষ্যতের ঝাপসা, দুলে উঠত মাঠ ফসলের। বাসা ছিল। এক জোড়া পাখির কৃষকের অঙ্কুরাচ্ছন্ন চোখের ভেতর। উঠোন ও মাঠের পার্থক্যে থেকে যাবে পার্থক্য হয়ে উঠতে না পারা খড়কুটো। নিকটদূরে, গাছে, দেখা ছিল, বাসাডাল। অন্ধ এসে দাঁড়ায় এখন, অদ্ভুূত চোখে থেমে আছে মাঠ, পাখির বাসায়—
সংকটের জামা
গুটিয়ে যাওয়া দশদিক, আসন করে বসেছে এক শিশু, তার ছবি এঁকে তারা দেখল, ক্যানভাসে, বারবার জামা থেকে যায়!
নির্গমরতপ্রায়
পড়তে চাও? থিরতম স্ক্রুতে গেঁথে নাও মাথা, ঘুরে যেতে পারে অনন্ত লাটিম নতুন কোনো দিকে— এই মাত্র, জন্ম নিল যে দিক। দুই হাতে, ঝুলিয়ে রাখো প্রত্যাখ্যান আকাশ ফুঁড়ে উঠে যেতে পারে, দাহ! দেখতে চাও? অনলপ্রুফ চশমায় আনো চোখ, ভস্ম হয়ে যাবে নিরন্তর অন্ধ নতুন কোনো জ্বালা— নিজস্ব উৎসবে আছি চুপ। তোমার দিকে তাক করে রাখো বৃষ্টি নির্গমরতপ্রায়!