থিরতম স্ক্রুতে গেঁথে নাও মাথা,
ঘুরে যেতে পারে
অনন্ত লাটিম
নতুন কোনো দিকে—
এই মাত্র, জন্ম নিল যে দিক।
ঘোড়া
কোন প্রত্যাখ্যানের ভয় দেখাও?
প্রত্যাশা কোনো নুয়ে পড়েও ছুঁতে পারে নি আমায়—
অকারণেই লেংটি উচিয়ে হর্সপাওয়ার মাপো।
তোমাদের সব ভাব ভাণ্ডই সমকামী মনে হয়,
তোমরা কি এক? অনেক এক?
শুনলাম সূর্য, সেও ঘোরে!
দুই হাতে, ঝুলিয়ে রাখো প্রত্যাখ্যান
আকাশ ফুঁড়ে উঠে যেতে পারে, দাহ!
দেখতে চাও?
অনলপ্রুফ চশমায় আনো চোখ,
ভস্ম হয়ে যাবে
নিরন্তর অন্ধ
নতুন কোনো জ্বালা—
নিজস্ব উৎসবে আছি চুপ।
তোমার দিকে তাক করে রাখো বৃষ্টি।
.
অন্তরা
একটি উপায় অপেক্ষার পাশ দিয়ে হেঁটে যায়
ঘটনা টলে না নিজস্ব শয়নে
তিনটি সমস্যা এক টেবিলে বসে খায়
ষোড়শী সম্ভাবনা তড়পায় মেনুতে
আমারা যাচ্ছি মাঠে, চোখের চাষে।
.
আমার
জ্বালা ও দখলকৃত আয়তনের সারাংশে—
ডুবে থাকা চরিত্রে সম্পর্ক এলে
স্পর্শ তুমি;
সংহত ছাইয়ের ভেতর ভোগের মিউজিক
সমুদ্রের চোখ চেয়ে চেয়ে
শুকিয়েছে স্বরের টেকন,
কাঠঠোকরার কৌশলে স্মৃতি
স্নাতক সাঁতারে বংশ খোলে
যা কিছু অস্তিত্ব তুলে নিচ্ছে স্পর্শাঘাত
বিন্দুবৎ বৃত্তাশ্চর্য জামা খুলে
বংশ উজ্জ্বল করে ধর্মাচারে জ্বলছে—
.
কোলাহলের কারণ
একা ফিরছি দোহারে
শব্দরা ডেকে ডেকে শব্দহীন হয়ে যাচ্ছিল
রাতকুয়োয়
গ্রামার খুলে খুলে, নিতে বলছিল সইতাল—
একার মিছিল দেখে দাঁড়িয়ে উঠল সমাবেশ।
একা ছুটে যাচ্ছিল—
অভিমানে, শুয়ে থাকতে
ইশারায়...
ভবিষ্যৎ থেকে, উত্তর হাওয়ায়, সরে যাচ্ছিল গোপন
অসম্ভব দেখে দৌড়ে এল একা, ঢেউ ঢেউ বুকে।
নিশ্চয়তা তুমার করেছি
তাদের আসার পথেই গেল সে, কল্পনায়...
একদিন এক হাত ধরে
অনেক সে একা! ফিরে এল পিতৃপরিচয়ে। .