মাইবম সাধনের কবিতা

কাগুজে পাতায় ডুবে গেলে


ক. শীত ঝেড়ে দৃশ্যত চোখ কাগুজে পাতায় ডুবিয়ে দূরত্ব মেপে গেলে— তোমার অঙ্ক ধরে— ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী থার্মোমিটার পারদ কি জানে সে বিয়োগান্ত?   খ. ভ্রমে-বিভ্রমে ঘরভর্তি বাচ্চা রাগ উস্কে আসা শৈত্যসকাল কলম হাতে তাক করে দেখো— মগজ জুড়ে তারকাঁটা বর্জ্রবিদ্যুৎ— ক্লোরোফিলের মতো নেচে যায়  

চুনিয়ার শীতরাত


জলছত্র, দোখলা পেরিয়ে চুনিয়া টকপাতার দোলহাওয়ায় ইথারে ভেসে আসা ‘আগামী’ অস্বীকারে কীই-বা এসে যায়? ছাঁচমুখে, তোমার— একটি রাত হাপুস করে যা যা মনে এল যা যা মনে হলো মান্দিবাড়ির প্রাচীর— কান ফুড়ে গেঁথে থাক তোমার সুদূরে— না, আমার কোনো ঘোর ছিল না  

দুঃসাহসের গপ্পো


ক• প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠা ‘সাহস' রেখা চেনে না, যতটা— প্রসঙ্গ-অপ্রসঙ্গে শীতপ্রবল কুয়াশা ঘুরে যায়, চৌকাঠে—   খ• জড়বিদ্যালয়ে তুমুল হট্টগোল হলে অহিংসচোখ আটকে থাকে দ্বিরালায় আর ছায়া চেপে বর্তে-আবর্তে মুঠো মুঠো শীত গিলে এঁকে যায় রঙবিভাবে, জমাট দুঃসাহসগুলো—  

শৈত্যপ্রবাহ


তোমার হাতে জল গড়ালে স্পষ্টত রেখাগুলো উঠে আসে— বহু মত ও পথ তোমার হাত জলছুয়ে স্পষ্ট— স্পষ্টই রেখে যায় মুঠোভরে মুঠোফোনে শৈত্যপ্রবাহ  

শীতবাড়ি


স্কুলের সুন্দরী মিসদের মতো আমার হাতে কোনো ডাস্টার নেই। তাই শীত এলে স্বপ্রাণ মুছে দিতে পারি না। বরং শীতগুলো আরো মোহনীয় হয়ে ওঠে। সেহেতু কিভাবে শীতঋদ্ধ হতে পারি—এই ভাবতে ভাবতে শীতার্ত হয়ে পড়ি। দৃশ্যতর হয়ে ওঠে শীতবাড়ি।

ওহে মৌসুম, তুমি কি জানো—না জানার ভান করে তোমার ঋতুডালে বসে বিস্ফারিত চোখে চেয়ে আছে একটি শীতবুড়ি?

মাইবম সাধন

মাইবম সাধন

জন্ম ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪; শ্রীমঙ্গল। কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর,...বিস্তারিত