অলঙ্করণ : সারাজাত সৌম
ঘুম ঘুম রিক্যুয়াম
না বলার মধ্যেই কিছু বলা হয়ে যায়
তৃণ আর তূণ একই পরিধি জুড়ে
ইস্কিলাসের রাত ইস্কিলাসের মতোই
বিবর্ণ ট্রাজেডি ঘিরে, সাদা পৃষ্ঠা রেখে
গল্প উধাও হয়, চোখ বন্ধ হলেই দেখি
জলের ধারে কান্নায় কেমনে দীপিকা ফুরায়
তখন মৃত শব্দের ঘরে সাজানো কথারা ফেরে
মুদ্রাভঙ্গ নাচের আবহে, নিউরনে বাজাতে থাকে
ঘুম ঘুম রিক্যুয়াম
ভেনাসের স্তন
যে ফুল ফোটে নি কখনই, রাতের রহস্যে ঘেরা
পাখা আর পালকের কোমলতা, প্রাচীন গ্রন্থের মতোই
কুমারি গোলাপ।
জীবনের অসীম ব্যাসার্ধ ঘিরে ক্ষুধা ও প্রেমের পরিধি
তবুও ঐকতান এই মায়াজালে শেষ সুর পেরিয়ে
সন্ধ্যার সমগ্র বিচ্ছেদে ঘুম আর স্বপ্নের সিম্ফনি
ঘুম
ঘুম এক ক্লান্ত পরীর দেহ যার পুরুষ্টু স্তনের ভেতর ধরে রাখে স্বপ্নের বিষণ্ণ সাইরেন
চে'র লাশ
শহরের অলিতে গলিতে হাঁক দিয়ে যায় রাতের পাহারাদার আর তখন আমাদের মনে পড়ে বলিভিয়ার জঙ্গলে চে গুয়েভারার লাশ। রাতের অন্ধকার উগরাতে থাকে একটা রেলগাড়ি। আকাশের শোকেজে সাজিয়ে রাখা বিপ্লবী তারাদের ছবি দেখি, ভোরের আগেই যারা বিক্রি হয়ে যাবে কোনো এক পুঁজিবাদী তরুণের হাতে। আর পকেটে টাকা গুনতে গুনতে চলে যাবে শববাহী গাড়ির চালক।
নির্বাক পোর্ট্রেট
পেয়ালার অধিক কোনও ক্ষত নেই আমাদের বুকে
কথিত মুদ্রার পরিধিতে কুয়াশার স্বরগ্রাম,
সন্ধ্যার আকাশে জমতে থাকে পদাতিক বেড়ালের ছায়া
জীবনের রিক্ত পরিচ্ছদে লিখে দাও উদ্দীপ্ত হাওয়ার বন্ধন
একদিন এইভাবে আমরাও হয়ে যাব দেয়ালের নির্বাক পোর্ট্রেট