মেঘ
তার শরীরে নাচ মেঘের মুদ্রা হয়ে ছিল!
তুমি এলে আর বৃষ্টি সভায় নবোঢ়া অনুরাগ।
তার শরীরে রাজকন্যা প্রজাপতি।
তুমি এলে আর লজ্জারা পালালো!
এই যে লাল সবুজকে আমি ভালোবাসি।
ভালোই তো বাসি।
যে আমাকে মেয়ের মতো
মেঘের মতো শেখালো ভালোবাসতে!
এই যে লাল সবুজকে আমি ভালবাসি।
ভালোবেসেই যাই! সে শেখালো নারীর মতো
নদী হয়ে সোনালু রং মাখতে।
রোদ
ছেলেটা হাঁটছে।
লোকালয় আর বন পায়ের নিচে।
যদি সমুদ্র বুকে নামে তলিয়ে যাবার...
পথ নেই ফেরা নেই মেয়েটির আর!
আছে?
কোনো ভার নেই তবু বিশ্বস্ত এক লবণদৃষ্টিতে
আমি আমাকে তলিয়ে যেতে দেখলাম!
দেখলাম খুনের মতো সুন্দর হয়ে উঠছে
রৌদ্রে তোমার গাল।
ঘুম
ধরো ওপাশে আর নেই কেউ তোমার জন্য জেগে
তুমি যাকে ঘুম ভেঙে ডাকো সব চেয়ে আগে
ধরো সে আর ওপাশে থাকে না তোমার অপেক্ষায়।
তুমি ফুল হও অথবা সে হয় সবুজ পাতা
তুমি নমনীয় নদী সে জলকাগজের নাও
তুমি হলে পাখি অথবা ঠিক ধরো পাখি নও
পাখিদের ঠোঁট
সে তার দুখানা ডানা সবচেয়ে ভালোবেসে গোপনে রাখে!
ধরো ওপাশে আর কেউ থাকে না জেগে ঘুমাবার আগে।
স্থবিরতা
কেউ আমাকে বলেছিল পেছনে তাকিয়ে রবে তো
কাগজেরা তোমার জন্য মৃত্যুর ফুল হয়ে আসবে।
আঘাতের শব্দগুলোকে কোঁচর ভর্তি করে
কোলের কাছে রাখো, ঠিক মানুষের গায়ে
ছিটিয়ে দিতে পারলেই আজীবন
তোমার তৃষ্ণা মিটে যাবে।
অথচ এগিয়ে যাওয়ার মতো কঠিন কিছু নেই।
যেখানে স্থবিরতা কবিতার মতো খাবে
গিলে তোমাকে।
হাহাকার
মাটি আর একবার মাটিকে পাবে না—
বুকের ভেতর খা খা কুড়াল প্রতিশোধ তার!
খানাখন্দ বর্ষা ভেজা, ভীষণ সবুজ,
যেখানে যতটা না দেখা ছিল; প্রণতিহত্যা আর...
দুটো চোখ হাহাকারে।