- মুহম্মদ ইমদাদ
● আমি স্বর্গে যাব কিন্তু একা যাব না। আমার দোজখকেও সঙ্গে নিয়ে যাব।
● আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করতে পারি দীর্ঘ দীর্ঘকাল, কারণ তুমি এসে গেছ।
● সরল পথ শুধু দূরত্ব কমায় না, জীবনকেও সংক্ষিপ্ত করে।
● রাস্তাটি যদি তোমার নিজের রাস্তা হয় তাহলে তারা তোমাকে বলবে যে তুমি ভুল পথে আছ।
● খুব বেশি নিই অথবা খুব কম নিই, আমি উপযুক্ত পরিমাণে কিছু নিই না। উপযুক্ত পরিমাণ কিছুর প্রয়োজন নেই আমার।
● সবচেয়ে ছোট সৃষ্টির চোখও সূর্যকে বহন করে।
● ঘুম থেকে জেগে যে স্বপ্ন দেখি, ঘুমিয়ে-ঘুমিয়ে সেই স্বপ্নটাই দেখি। এ এক অনন্ত অবিরল স্বপ্ন।
● না-ভাঙলে কিছুই শেষ হয় না, কারণ সবকিছুই অন্তহীন।
● যখন মরব, তখনই প্রথম আমি আমার মৃত্যুকে দেখব না।
● ভাবছ আমাকে খুন করছ, আমি ভাবছি তুমি আত্মহত্যা করছ।
● একমুহূর্তে মারা যায় একশ বছর, যেমন একমুহূর্তে মারা পড়ে একটি মুহূর্ত।
● ভ্রমণের আগে আমিই ছিলাম আমার পথ।
● সংঘে থাকার অর্থ কারো মধ্যে থাকা, কারো সঙ্গে থাকা নয়।
● যে ভালোবাসার কারণ জানতে ভালোবাসে সে কাউকে ভালোবাসে না।
● সত্যের বন্ধু খুব অল্প এবং তারা একদিন আত্মহত্যা করে।
● পরিপূর্ণ হৃদয়ে সবকিছুরই জায়গা হয়, জায়গা হয় না খালি হৃদয়ে।
● ভুলের সমালোচনা হচ্ছে আরো এক ভুল।
● যে হৃদয় বিশাল তা সামান্যতেই ভরে যায়।
● মানুষ যখন বুঝতে পারে সে হাসির পাত্র, তখন আর হাসে না।
● যে ‘অসম্ভব’কে ভালোবাসে না, সে কোনোকিছুকেই ভালোবাসে না।
● তোমাকে কী দিয়েছি সেটা জানি, জানি না তুমি কী পেয়েছ।
● মানুষ স্মৃতি হওয়ার জন্যে বাঁচে।
● যে শিশুকে কেউ হাত ধরে হাঁটায় না সে-ই প্রকৃত শিশু, কারণ সে জানে, সে শিশু।
● হে প্রভু, কখনোই তোমাতে আমার বিশ্বাস ছিল না। কিন্তু সবসময় আমি তোমাকে ভালোবেসেছি।
● যে আগুনের ভিতর হাঁটে, সে মরে ঠান্ডায়।
● পতিত ফুলেই আমি দেখেছি ফুলের সুন্দরতম দিক।
● সে-ই প্রকৃত পতিত, পুনরায় ধূলিসাৎ না-হওয়ার জন্যে যে উঠে দাঁড়ায় না।
● আমার হাতে-পায়ে বাঁধা শেকলকে ভাঙতে গেলে মনে হয়, আমি নিজেকে আরো ছোট করে ফেলছি।
● গাছ নিঃসঙ্গ, মেঘ নিঃসঙ্গ, সবই নিঃসঙ্গ, যখন আমি একা।
● একমাত্র আমার শরীর। সকল জীব ও জড় থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করেছে আমার শরীর।
● আমার অস্তিত্বকে আমি আমার মধ্যে খুঁজি না।
● আমি যা খুঁজছি তা আমি চাই না; আমি খুঁজতে চাই।
● যে তার ভালো’র মধ্যে আরো বড় ভালো’কে খুঁজে, সে তার ভালো’কে হারায়।
● হৃদয়কে আহত করা মানে তাকে সৃষ্টি করা।
● ক্ষুধার নরক বানায় যে, সেই তৈরি করে রুটির বেহেশত।
● ‘একজন’ হতে চাওয়া মানে নিঃসঙ্গ হওয়া। ব্যক্তি মানেই একাকিত্ব।
● আত্মার দুঃখকষ্টই আত্মাকে গড়ে তোলে। কারণ আত্মা মৃত্যু দিয়েই জয় করে তার কষ্টকে।
● বিচ্ছিন্নতার ভয় থেকেই জন্ম হয় সংঘের।
● জীবনে আমরা যদি কিছু না-হারাতাম তাহলে জীবনকেই হারাতাম।
● চোখের স্বাধীনতার দাম পরিশোধ করতেই আমি পৃথিবীতে শৃঙ্খলিত, আসামি।
● যে তার পৃথিবীকে ভূতপ্রেত দিয়ে ভরে রাখে না, সে একা।
● একটা দরজা খোলে। আমি প্রবেশ করি ভিতরে আর মুখোমুখি হই একশটা বন্ধ দরজার।
● চলে যাওয়ার সময় বাবা আমার শৈশবকে পরিণত করে যান অর্ধ শতাব্দীর একটা উপহারে।
● একশ লোক একসঙ্গে একটা লোকের একশতম অংশ।
● শিশু তার খেলনা দেখায়, মানুষ তার খেলনা লুকায়।
● তোমার হাতের ফুলটি আজকে জন্ম নিয়েও তোমার সমবয়সী।
● কাউকে কাঁদতে দেখলে তুমি কান্নার তুলনায় অধিক অশ্রুসিক্ত হও।
● শূন্যে খুব কম লোক পৌঁছায়, কারণ পথটা দীর্ঘ ।
● মানুষ কোথাও যায় না। সবকিছু তার কাছে আসে। যেমন আগামীকাল।
● সবাই দুঃখিত হলে কেউ কারো দুঃখকে শোনে না।
● ওটা ছিল সমুদ্র আর আমি। আমি ছিলাম একা। সমুদ্র ছিল একা। দুইটার থেকে একটা হারিয়ে গেছিল।
● অন্ধ তার কাঁধে একটা তারকা বহন করে।
● প্রত্যেকের আত্মা মিলেই হয় সবার আত্মা।
● মানুষ দুর্বল। যখন সে তার পেশাকে সবল করে ফেলে, তখন আরো দুর্বল হয়ে পড়ে।
● তুমি অসীমের হাতের পুতুল। তোমার নিজের অসীমতা।
● আমি গতকালে আছি, আজকেও আছি। আগামীকালেও ছিলাম।
● মৃত্যুকে জানার জন্য চলে যায় একটি জীবন।
◙ ◙ ◙