জানে অন্তর্যামী

৪র্থ পর্ব

৩য় পর্বের লিংক


ঢাকা শহরে রুকুবিবিকে নিয়ে যাবার প্রস্তাবের সাথে সাথেই রুকুবিবির আড়ালে থাকা দুগ্ধপোষ্য শিশুটি হঠাৎ কেঁদে ওঠে। এতক্ষণ রুকু বিবির শরীরের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শিবুকে নজরে পড়ে নি সাফেদরের। প্রশ্নের সাথে সাথে তাঁর কেঁদে ওঠায় সাফেদরের ধ্যান ভাঙে। সে একটু সরে বসে। রুকুবিবি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাবার পরও কোনো জবাব না দিয়ে তার পেছনে বসে থাকা শিশুটিকে কোলে তুলে নেয়। সাফেদরের উপস্থিতিকে অস্বীকার করে বুকের ওপর থেকে কাপড় সরিয়ে, একটা স্তন শিশুর মুখে ঠেলে দিয়ে, খুব অপ্রয়োজনীয়ভাবে পরনের কাপড় দিয়ে শিবুর মাথা এবং স্তন আড়াল করে নেয়।

এক ঝলকের জন্য চাঁদের আলোতে রুকুবিবির বাম স্তনটি দেখে আবারও কামার্ত হয়ে ওঠে সাফেদর। তাঁর কোমর অব্দি তোলা লুঙ্গিটির ভেতর একটা অজগর সাপ শীতনিদ্রা শেষ করে জেগে ওঠার জন্য আড়মোড়া ভাঙতে শুরু করে। উপেক্ষার পর উপেক্ষা উপহার দিতে থাকা রুকুবিবির এই আচরণ সাফেদরকে আরও উন্মত্ত করে তোলে। সে উত্তর না পেয়ে চার-পেয়ে শ্বাপদের মতো হাত দুটি মাটিতে রেখে মাথাটা সামনের দিকে টেনে এনে পরম ব্যাকুলতায় আবার প্রশ্ন করে, ‘যাওগি?’

যাওয়া কিংবা না-যাওয়ার প্রশ্নের উত্তরে যায় না রুকুবিবি। এতক্ষণের দীর্ঘ আলাপের জবাবে নতুন প্রশ্ন করে, ‘তোর বউ নাই রে বিটা?’


রুকুবিবি যথেষ্ট জোরের সাথে কথা বললেও সাফেদরের কাছে তা স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয় না। রুকুবিবির উত্তর শোনার জন্য নিজের অজান্তে সে নিজের অজান্তে হামাগুড়ি দিয়ে আরও এগিয়ে আসতে থাকে। রুকুবিবির ঠিক স্তনের কাছে এসে থেমে বলে, ‘আছে। এক বহু।’

অসহায় সাফেদরের অনতিদূরে বসে থাকা রুকুবিবির সঙ্গিনীরা ততক্ষণে হাসতে হাসতে একজন আরেকজনের গায়ে বারংবার লুটিয়ে পড়ছে। তাদেরই একজন হাসি থামিয়ে বলে ‘তো ইয়ারে লিয়ে খি হরবি?’ বলে রুকুবিবির পিঠে আলতো একটা ধাক্কা দেয়। সাফেদর তখন প্রবল আকুতি এবং প্রত্যয় নিয়ে বাংলায় বলার চেষ্টা করে, ‘এঁরেও লাগবু?’

সাফেদরের আকুতি কিংবা নির্লজ্জতায় রুকুবিবির পাশে থাকা নারীদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে। তারা দলবদ্ধ হয়ে হেসে উঠলে কোথাও একটা শেয়াল আর তার পর-পর নেমে আসা নিঃশব্দতাকে গভীর করে তুলতে একটা প্যাঁচাও ডেকে ওঠে। কিন্তু রুকুবিবি তাদের হাসিতে যোগ দেয় না। দুগ্ধপোষ্য সন্তানের হাতের টানে বুক থেকে কিঞ্চিৎ সরে আসা পরনের কাপড়টি আরেকবার টেনে আনতে আনতে বেশ ব্যবসায়ী কায়দায় প্রশ্ন করে, ‘দিনহে ক’পেট ভাত দিবার পারবি? কাফুড় ক’ডা দেতে ফারবি?’

রুকুবিবির ব্যবসায়িক ঢঙের আলাপ সাফেদরকে নিরস্ত করতে পারে না। সে জানে তার যোগ্যতা সীমিত। তারপরও সে বেশ আত্মবিশ্বাসের ঢঙে বলে, ‘তিন বেলা খাওয়াবু। দো ঈদ মে দো শাড়ি’ বলে কম হয়ে গেছে ভেবে আবার বলে, ‘মহররম মে অউর এক সারি দুংগা।’

বছরের ছয় মাস আধ পেট খেয়ে থাকা উত্তরের প্রান্তিক জনপদের এই নারীর কাছে সাফেদর মিয়ার প্রস্তাব হয়তো বিস্ময়কর ঠেকে। তারা খায় দুই বেলা। তাও অনিশ্চিত। এক কাপড় রোদে শুকোতে দিলে আধ-বেলা কাপড় ছাড়া থাকতে হয়। উলঙ্গ অবস্থায় দুই স্তন ঢেকে বারবার রোদে ছড়িয়ে দেয়া কাপড় ধরে জানতে হয়, কখন তা শুকাবে? সেই কাপড়ও শতচ্ছিন্ন। বছরে তিন শাড়ি আর দৈনিক তিন বেলা আহারের প্রস্তাব রুকুবিবির কাছে স্বর্গীয় বলে মনে হয়। রুকবিবির পাশে থাকা নারীরা এতক্ষণ খেলার ছলে কামুক সাফেদরকে দেখলেও এমন লোভনীয় প্রস্তাবের কথা শুনে হঠাৎ চমকে ওঠে। খানিকটা ঈর্ষাকাতরও হয়ে পড়ে হয়তো। তারা বুঝতে পারে, রুকুবিবির ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করেছে। ভগবান তার দিকে মুখ তুলে চেয়েছে। স্তন চুষতে চুষতে ঘুমিয়ে পড়া সন্তানের দিকে তাকিয়ে রুকুবিবি শেষ কথা বলে, ‘এঁর কি হইবেক?’

চাঁদের আলোতে এক বা তারও কমবয়সী শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে সাফেদর ‘এঁরেও নিবো। আদর দিবো। পড়াইবো, লিখাইবো...’ বলে আরও লোভনীয় কিছু প্রস্তাব দেয়ার কথা ভাবতে শুরু করে। কিন্তু তার জগৎ এত ছোট যে আর লোভনীয় কিছুর নাম স্মরণ করতে পারে না।

নীল তোলা শেষ হলে যখন তা কেটে কেটে পেটি বানানো শুরু হয় তখন আর সাফেদরদের তেমন প্রয়োজন থাকে না। শারীরিক পরিশ্রম করা যমুনা পাড়ি দিয়ে আসা নারী-পুরুষরাও চলে যায় পারিশ্রমিক নিয়ে। কিন্তু সে'বার নিজের দলের লোকেরা যখন চলে যাবার প্রস্তুতি নেয় তখন এক রাতে রুকুবিবি আর তার স্বামী সাফেদরের ঘরে আসে। তারপর স্নেল সাহেবের ভৃত্য সাফেদর মিয়ার ঘরের দরোজায় দাঁড়িয়ে—‘হাম লোক কাল চালিয়া যাবু। এঁরে রাহিয়া যাই। তুই এঁকো দরদ দিস। আর আমার ছাওয়ালোকেও।’—বলেই রুকুবিবির স্বামী দ্রুতপদে অন্ধকারে হারিয়ে যায়।

এত সহজে রুকুবিবিকে পাওয়া যাবে তা সাফেদর ভাবে নি। সে অন্য কোনো কুটিল ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পাততে শুরু করেছিল। সুতরাং স্বেচ্ছায় ধরা দেয়া রুকুবিবি এবং তার স্বামীকে নিয়ে একটু দ্বিধায় পড়ে যায় সাফেদর। কারণ সাফেদর খুব ধনী পরিবারের না হলেও, সে অন্তত জানে না ক্ষুধার তীব্রতা কেমন হতে পারে? সে জানে না, ক্ষুধা এমন এক অভিজ্ঞতা যা মানুষকে যুক্তির অনেক বাইরে নিয়ে যায়। ধর্ম, সমাজ, সংসার তখনই যাত্রা শুরু করে যখন ক্ষুধা মানুষকে মুক্তি দেয়। রুকুবিবি তখন ক্ষুধার জালে আটকে পড়া মানুষ। সে যে কোনো কিছুর বিনিময়ে ঐ জাল থেকে নিজে এবং উত্তরের প্রান্তিক জনপদে রেখে আসা পরিবারকে মুক্ত করতে চেয়েছিল।

রুকুবিবি আর তার স্বামীর মধ্যে এই বিষয়ে লম্বা বাতচিত হয়েছিল। জগতের আর সবার মতো, সংসার গড়ার জন্য তারা যতটা সময় ব্যয় করেছিল তার চেয়ে বেশি ব্যয় করেছিল সংসার ভাঙার জন্য। বেঁচে থাকার যে তীব্র অনিশ্চয়তা তারই মধ্যে নিশ্চয়তার সন্ধানে মত্ত হওয়া মানুষদের কাছে সংসার কোনো ধর্ম হিশেবে স্বীকৃতি পায় না। সংসার করা ঘুমানো বা ভরদুপুরে জলে গা ডোবানোর মতই একটা আচার। সুতরাং সাফেদরের প্রস্তাবের সূত্র ধরে, সংসার ভেঙে দুই জনের দুই দিকে ছড়িয়ে পড়া তাদের গভীর পরিকল্পনারই অংশ হয়ে ওঠে। তারা ভেবে দেখে, তাদের বিচ্ছিন্নতা ভাতের ওপর চাপ কমাবে। পরনের কাপড়ের ওপর চাপ কমাবে। আর এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করবে দুগ্ধপোষ্য শিবুকে।

সেই বছর অর্জিত সব পয়সা রুকুবিবি তার স্বামীর হাতে তুলে দেয়। যমুনার ঐ পাড়ের কোনো এক প্রান্তিক জনপদে থাকা রুকুবিবির বাড়িতে তখন আরও জনা তিনেক সন্তান আছে। তাদের সাথে আর দেখা হবে না রুকুবিবি জানত। কিন্তু দুজনের আহার আর কাপড়ের খরচ কমিয়ে তাদের অনিশ্চিত জীবনের নিশ্চয়তা দীর্ঘতর করার এই পরিকল্পনা মন্দ বলে মনে হয় নি তাদের। এবং বিদায় নেয়ার পূর্বরাতে তারা দু’জন স্বপ্ন দেখে, তাদের বড় ছেলে সামনের বছরই আবার ভুনাকুলি হয়ে বাবার সাথে ফিরে আসবে নীল পেটানোর কাজে। দুজনের পরিশ্রমে হয়তো পুরো পরিবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। এভাবে তারা একদিন ধনী হবে। তাদের আর ভাতের, কাপড়ের কষ্ট থাকবে না। ওপরে হাত তুলে রুকুবিবির তৎকালীন স্বামী, কোন এক অদৃষ্ট শক্তির উপস্থিতিকে স্বীকার ক'রে ‘...চাইলে হামাগো দেহা হয়ি যাবিন... ’ বলতে যেয়ে মাঝপথে থেমেও যায়। কিন্তু রুকুবিবি তেমন কোনো সম্ভাবনার কথা ভেবে সময় নষ্ট করে নি।

রুকুবিবির হয়তো মনে পড়েছিল, মাত্র কয়েক বছর আগেই তার বোন ‘সাবি’ মাত্র এক ক্রোশ দূরের এক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে যেয়ে আর ফিরে আসে নি। তার মা-নানি-দাদি সবার মুখের কথা থেকে সে জেনে এসেছে, একবার ঘর ছাড়লে পুরুষের পুনরায় ঘরে ফিরে আসা যতটা সম্ভব, নারীর জন্য ততটা নয়।

ঠিক এই ভাবেই একদিন আতিয়া পরগনা ছেড়ে উত্তরের দুর্গম জনপদের রুক্মিনী, রুকুবিবি হয়ে, ঢাকা শহর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। ফেরার পথে কোনো এক হাঁট থেকে একটা শাড়ি কিনে সাফেদর। সেই শাড়ি বাঙালি ক্ষীণকায় রমণীদেহের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু রুকুবিবির দীর্ঘ দেহে এঁটে উঠতে পারে না। খানিক পরপরই মাথা থেকে কাপড় সরে যেতে থাকে। রুকুবিবি এক হাতে দুগ্ধপোষ্য সন্তান আর অনভ্যস্ত আরেক হাতে ঘোমটার কোণ ধরে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠা ঢাকা শহর বিস্ময় নিয়ে দেখে।  

বুড়িগঙ্গাপাড় ধরে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এই নগরকে তার কল্পনার বাইরের এক জগৎ মনে হয়। যদিও ঢাকা তখন অনেকটা নিশ্চুপ শহর। মুর্শিদাবাদে রাজধানী সরিয়ে নেয়ার পর ঢাকা শহরের যে পতন শুরু হয়েছিল তা থেকে ঢাকা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে নি তখনও। কিন্তু তারপরও ঐ ডুবন্ত নগরীর অল্প কিছু জমিদার আর নীলকরদের প্রাসাদোপম অট্টালিকা, গীর্জার ঘন্টাধ্বনি, নদীর কোল ঘেঁষে কিছু দূর পর পর খেয়াঘাট আর বিশাল-বিশাল সব মালবোঝাই নৌকা রুকুবিবিকে বিস্মিত করার পক্ষে যথেষ্ট ছিল।

যেহেতু রাজধানী ঢাকার পুরনো চিত্র সে দেখে নি সেহেতু ঢাকার ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু রূপ বোঝার ক্ষমতা তার ছিল না। বরং বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী হবার সাথে সাথে জলের নিচ থেকে ভেসে আসা ভয়ংকর শব্দ আর জলের কম্পনে রুকুবিবি এবং তার কোলে থাকা সন্তান কেবলই কেঁপে উঠছিল। সাফেদরকে প্রশ্ন করে জেনে নেবার মতো সাহসও হয় নি। ততক্ষণ পর্যন্ত রুকুবিবির মনে হয়েছিল, দুনিয়াটা ক্রমশ উল্টে যাচ্ছে, যতক্ষণ না সে দেখতে পেল, একসাথে গোটা পঞ্চাশেক হাতি জলের নীচে ডুব দিয়ে গোসল করে যাচ্ছে আর অবিরাম তাদের লম্বা শুঁড় দিয়ে আকাশের দিকে পানি ছুড়ে দিচ্ছে। বুড়িগঙ্গার জলের সাথে হাতির পাল এমনভাবে মিশে ছিল যে শুধু হাতির পালের সম্মিলিত গর্জন আর জলের উথাল-পাতাল ঢেউয়ের মিশ্রিত শব্দই দূর থেকে শোনা যাচ্ছিল। রুকুবিবির কোলে থাকা শিবু হাতির পালের কাছে আসার পর কান্না থামিয়ে হাততালি দিয়ে উঠলেও রুকুবিবির ভয় কাটে নি। তার মনে হচ্ছিল, দুনিয়া হয়তো আর উল্টে যাচ্ছে না, কিন্তু ঠিক নৌকার তলদেশে ডুব দিয়ে আছে কোনো একটা হাতি। সেই হাতিটি যখন মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করবে ঠিক তখনই উল্টে যাবে তাদের নৌকা।

কিন্তু সাফেদরের কাছে এটা নিত্যদিনের ঘটনা। সাফেদর বরং রুকুবিবিকে বিস্মিত করতে বারবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিল, ‘ইয়ে ওহি ঢাকা নেহি। ইয়ে আধি জিন্দা ঢাকা হে।’ এত বড় শহর, বিশাল-বিশাল অট্টালিকা, বড় বড় পালতোলা নৌকা দেখার পর রুকুবিবির মনে হয়েছিল, এই নগর যখন অর্ধজীবিত তখন পুরো জীবন্ত ঢাকা কেমন ছিল?

নৌকা যখন স্নেল সাহেবের বাড়ির ঘাটে আসে তখন রুকুবিবি উঁকি দিয়ে দেখে, স্নেল সাহেবের স্ত্রী কেলি আর ইংল্যান্ড থেকে বেড়াতে আসা তার বোন এলিজাবেথ বিশাল এক বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে দুটো জালওয়ালা লাঠি দিয়ে একটা ফুলকে একজন আরেকজনের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে। পরে জেনেছিল রুকুবিবি, এটা একটা খেলা যার নাম—ব্যাডমিন্টন।

অনভ্যস্ত এবং চোখে-মুখে ভীতি নিয়ে নৌকা থেকে নামা অদ্ভুত গড়নের রুকুবিবিকে দেখে কেলি খেলা বন্ধ করে দেয়। তার স্থির দৃষ্টি অনুসরণ ক'রে এলিজাবেথ ঘুরে দেখে, দীর্ঘদিনের ভৃত্য সাফেদরের ঠিক পেছনে বিশালদেহী এক নারী গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসছে কেলির দিকে। এলিজাবেথ বোঝার চেষ্টা করেছিল, কেলির চোখে বিস্ময় কেন?

বঙ্গদেশের পুরুষরা যে একাধিক বিয়ে করার ধর্মীয় এবং সামাজিক অনুমোদন নিয়ে জীবন-যাপন করে তা কেলির অজানা নয়। সাফেদর যে কোনো একদিন আবার বিয়ে করবে তাও তার অজানা ছিল না। সে বিস্মিত হয়েছিল, এই ভেবে যে, সাফেদরকে ঘিরে তৈরি হওয়া একটা অধ্যায় যেখানে শেষ হয়েছে, ঠিক সেখান থেকেই যেন নতুন একটি অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে ।

৫ম পর্বের লিংক

মাসউদুল হক

মাসউদুল হক

জন্ম ১ জুলাই ১৯৭৪। পড়াশোনা : বই বাড়িয়া কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, শাহজালাল...বিস্তারিত