তন্দ্রা

সে বেঁচে আছে না মরে গেছে তা সে জানে না। সে যখন চোখ মেলল তখন দেখে পার্কের বেঞ্চিতে শুয়ে আছে। দু’দুটো গুলি তার বুক ভেদ করে ওপাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল। এতটুকু তার মনে আছে। বুকের যে জায়গাগুলো দিয়ে গুলি লেগে বেরিয়ে গিয়েছিল সেখানে হাত দিয়ে পরখ করল। না, কোনো গুলি লাগার চিহ্ন নেই। সে কি বাস্তব জগতে আছে না মরে গিয়ে ভূত হয়ে গেছে? তার তো জানাজা হয় নি এবং তাকে কবরস্থও করা হয় নি। তবে কি সে বাস্তব পৃথিবীতে নেই? সে কি প্রেতাত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে? নাকি সে স্বপ্নের মধ্যে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে?


যদি ডাইনোসররা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে নিশ্চিহ্ন হয়ে না যেত তবে তারাই এই পৃথিবীতে রাজত্ব করত।


কয়েকদিন আগের কথা।

হোমোস্যাপিয়ান্স পৃথিবীতে এসেছে মাত্র দশ লক্ষ বছর আগে। তার আগে পৃথিবীর এই সবুজে ঢাকা ভূমি আর নীল আকাশের সীমাহীনতার পাদদেশে মানুষ নামক কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব ছিল না। সে রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে একটা বই পড়ার সময় ভাবছিল। বই পড়তে পড়তে তার তন্দ্রার মতো একটা ভাব এসে গেল। সে ঘুমিয়ে পড়েছে নাকি এখনো জেগে আছে বুঝতে পারছে না। সে এখন একটা কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছে। কণ্ঠস্বরটা বলছে—মানুষের পূর্বপুরুষ হচ্ছে অস্ট্রেলোপিথেকাস, নিয়ান্ডারথাল মানব। একটা দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে উঠল। সে দেখতে পাচ্ছে হোমো স্যাপিয়েন্স পশুর চামড়া পরিধান করে বর্শা হাতে সুবিশাল সবুজ প্রান্তরে সংঘবদ্ধভাবে বাইসন শিকার করছে। আরেকটা কণ্ঠস্বর এবার কথা বলা শুরু করল। কণ্ঠস্বরটা বলছে—মানুষের আবির্ভাব এই পৃথিবীতে একটা দুর্ঘটনা মাত্র। যদি ডাইনোসররা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে নিশ্চিহ্ন হয়ে না যেত তবে তারাই এই পৃথিবীতে রাজত্ব করত। মানুষ কোনোভাবেই বিকশিত হতে পারত না। ডাইনোসররা বিলুপ্ত হয়েছে বলেই মানুষ পৃথিবীতে রাজত্ব করতে পেরেছে। এবার আরেকটা কণ্ঠস্বর কথা বলা শুরু করেছে। কণ্ঠস্বরটা বলছে—মানুষ এই পৃথিবীতে এসেছে ভিন্ন কোনো গ্রহ থেকে। সেখানে ভিন গ্রহের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হওয়াতে সেই গ্রহের মানুষেরা নিজেদের গ্রহ পরিত্যাগ করে মহাশূন্যযানে চেপে পৃথিবীতে চলে আসে। তারা এখানে এসে বসতি স্থাপন করে। সেই থেকে মানুষের অগ্রযাত্রা শুরু। মানুষ যে ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে সভ্যতার গোড়াপত্তন করেছে তার প্রমাণ মায়া, ইনকা, অ্যাজটেক সভ্যতা, মিশরীয় সভ্যতা।

তার তন্দ্রার ভাবটা বোধহয় আরো গাঢ় হয়েছে। সে শুনতে পাচ্ছে—ঈশ্বর, আত্মা, পরকাল বলে কোনো কিছুই নেই। বেদ, উপনিষদ শঠ ও ধূর্ত লোকের সৃষ্টি। মৃত্যুই মানুষের শেষ পরিণতি। গড ইজ ডেড। সেই এপিকিউরাস থেকে শুরু করে চার্বাক আর সব শেষে মার্কস, স্টিফেন হকিন্স সবারই একই মত। সে দেখতে পাচ্ছে সে একটা অচেনা নির্জন ভূমির উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। বিস্তীর্ণ ধূধূ উষর সবুজশূন্য মাঠ। সূর্যটা মধ্যগগনে জ্বলছে। আর পুড়িয়ে দিচ্ছে তার নিচের সীমাহীন ভূভাগকে। অনেক দূরে একটা মরা পত্রপল্লবহীন গাছে তিনটা শকুন বসে আছে। আশেপাশে কোনো বাড়িঘরের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। যতদূর চোখ যায় শুধু অসীম ঊষরতা। সে কী উদ্দেশ্যে যাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে তার কোনো কিছুই তার জানা নেই। সে শুধু সেই গনগনে সূর্যটার নিচে দুর্জ্ঞেয় কোনো কারণে হেঁটে চলেছে। তার খুব পানির পিপাসা পেয়েছে। কিন্তু হাতে রাখা পানির বোতলের দিকে চেয়ে দেখে যে তাতে এক ফোঁটা পানিও নেই। গরম বাতাসের হল্কা এসে লাগছে তার চোখে, মুখে। সে ঘামছে। কপাল থেকে, চুল থেকে টপ টপ করে ঘাম পড়ছে উত্তপ্ত মাটিতে। একটু দূরে একটা খালের মতো দেখা যাচ্ছে। সে ভাবল ওখানে গেলে পানি পাবে। তাই সে সেদিকে রওয়ানা হলো। খালের উঁচু প্রান্তে পৌঁছে সে দেখল খালের কোথাও কোনো পানি নেই। খালের মাটি ফেটে চৌচির হয়ে আছে। আর খালের ঠিক মাঝখানে পড়ে আছে একটা মৃত গরুর কঙ্কাল।  সে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। আর হাঁটতে পারছে না। তার পা টলতে টলতে সে ধপাস এক জায়গায় বসে পড়ল। সে এত পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে যে সে বসে থাকতেও পারছে না। সে ভাবল সে একটু জিড়িয়ে নিবে। তাই সে সেই খরতপ্ত মাটিতেই অনলবর্ষী সূর্যটার নিচে শুয়ে পড়ল। আকাশের দিকে চাইল। অনেক উঁচুতে দু’টো বিন্দুর মতো দু’টো চিল ঘুরে ঘুরে উড়ছিল। হঠাৎ সে একটা চাতক পাখির চিৎকার শুনল। কিন্তু পাখিটাকে কোথাও দেখতে পেল না। উজ্জ্বল আলোর প্রখরতায় তার চোখ ধাঁধিয়ে গেল। সে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। চোখ বন্ধ করল। তারপর কড়কড় শব্দ করে তার খুব নিকটেই বিকট শব্দে একটা বজ্রপাত হলো। কিন্তু আকাশে মেঘের ছিটেফোঁটা ছিল না। সে চেয়ে দেখে বেশ কিছু দূরে একটা মরা গাছের উপর বাজটি পড়েছে। মরা গাছটি থেকে আগুন জ্বলছে। তার অনেক ঘুম পাচ্ছিল। সে ঘুমিয়ে পড়ল।

সে কতক্ষণ ঘুমিয়েছে জানে না। যখন চোখ খুলল তখন দেখে হাসপাতালের নার্স তাকে তুড়ি বাজিয়ে ঘুম থেকে তুলেছে। নিজের দিকে চেয়ে দেখে সে হাসপাতালের পোশাক পরা। সে বিভ্রান্ত বোধ করল। নার্স তাকে বলল—উঠুন উঠুন ওষুধ খেতে হবে। ওষুধ খাওয়ার সময় হয়েছে। সে বলল—আমি কোথায়?

—হাসপাতালে।

সে বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, কেন? আমার কী হয়েছে?

—আপনি অসুস্থ।

সে তাজ্জব বনে গেল। তার তো কোনো অসুখ নেই। তাই সে বলল, আমার তো কোনো অসুখ নেই। আমি তো সুস্থ।

নার্স বিরক্ত হয়ে বলল, এখানে এলে সবাই ওই কথাই বলে। নিন ওষুধ খেয়ে নিয়েন।


তন্দ্রার ভাব নিয়ে এদিক-ওদিক তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করতে লাগল সে কোথায়।


একথা বলে নার্স তার হাতে কয়েকটি ট্যাবলেট দিয়ে দরজা বাইরে থেকে লক করে চলে গেল। সে ট্যাবলেটগুলো হাতে নিয়ে রেখে দিল। সে ওষুধগুলো বাথরুমের কমোডে ফেলে দিল।  কিন্তু সবার প্রথমে যে কাজটি করতে হবে তা হলো এখান থেকে পালাতে হবে। তাই সে চিন্তা করতে লাগল কিভাবে পালানো যায়। কিন্তু নার্স তো রুমের দরজা বাইরে থেকে লক করে গেছে। তাহলে উপায়? রাতের বেলা নার্স আবার এল। হঠাৎ তার কী খেয়াল হলো সে নার্সকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে খোলা দরজা দিয়ে বাইরে দৌড় দিল। তাকে দৌড়াতে দেখে কর্তব্যরত পুরুষ ওয়ার্ডবয়রা তাকে জাপটে ধরে ফেলল। সে ছুটার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগল। ধস্তাধস্তি চলল কিছুক্ষণ। তারপর নার্স তার হাতে জোর করে একটা ইনজেকশন দিয়ে দিল। তার সমস্ত শরীর অবশ হয়ে এল। সে ঘুমের কোলো ঢলে পড়ল।

কতক্ষণ ঘুমিয়েছে সে জানে না। তার ঘুম ভাঙল একটা কর্কশ কণ্ঠের আওয়াজে। কণ্ঠটা তাকে ঘুম থেকে উঠতে বলছে। সে চোখ খুলে দেখে সে শুয়ে আছে হাজতখানায়। তার পরনে তার নিজেরই পোশাক। সে তন্দ্রার ভাব নিয়ে এদিক-ওদিক তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করতে লাগল সে কোথায়। কিন্তু সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারল না সে কোন হাজতখানায়। তাই সে রুক্ষ কণ্ঠের লোকটিকে যে কিনা বিশেষ বাহিনীর পোশাক পরিহিত ছিল, তাকে জিজ্ঞেস করল—আমি এখানে কেন?

লোকটি বলল—শালা ভণিতা করার জায়গা পাও না। ওঠ শিগগির।

সে উঠে দাঁড়াল। এই সময় আরো দুজন পোশাক পরিহিত লোক এল। একজন তাকে হাতকড়া পরিয়ে দিল। আরেকজন কালো কাপড় দিয়ে তার চোখ বেধে ফেলল। তারপর রুক্ষ কণ্ঠের লোকটি বলল—চল।

সে অন্ধের মতো ওদের সাথে চলতে লাগল। তারা তাকে একটি জিপ গাড়িতে তুলল।গাড়িটা চলতে শুরু করলে ওদের একজন গাড়িতে খস করে সিগারেট ধরাল। সিগারেটের গন্ধ তার নাকে এল। সে ঘ্রাণ শুকেই বুঝতে পারল ওটা বেনসন সিগারেট। তারও খুব সিগারেটের নেশা চাপছিল। কিন্তু কিছু বলতে পারছিল না। তাদের একজনের গা থেকে ঘামের গন্ধ আসছিল। গন্ধটা টক দইয়ের মতো। রাস্তায় খুব বেশি গাড়িঘোড়া ছিল না। বেশি গাড়িঘোড়া থাকলে অনেক বেশি হর্নের আওয়াজ কানে আসত। নিরিবিলি রাস্তা দিয়েই ঝাঁকি খেতে খেতে গাড়িটা এগিয়ে যাচ্ছিল। তার খুব জানতে ইচ্ছে করেছিল কয়টা বাজে। তাই সে জিজ্ঞেস করল—এখন কয়টা বাজে?

একটি কণ্ঠ জবাব দিল—রাত তিনটা।

তারপর সে আর কোনো কথা বলল না। সে ভাবতে লাগল এদের প্রধান কাজই হচ্ছে ক্রশফায়ারে মানুষ হত্যা করা। কিন্তু তাকে কেন নিয়ে যাচ্ছে। সে তো কিছু করে নি। তবে কেনো তাকে নিয়ে যাচ্ছে? গাড়িটা আরো ঘণ্টাখানেক চলার পর একটা জায়গায় এসে থামল। ওরা ওকে গাড়ি থেকে নামিয়ে ওর হাতকড়া আর চোখের বাঁধন খুলে দিল।  সে তাকিয়ে দেখে কোনো হাউসিং কোম্পানির জায়গা হবে হয়তো। মাইলের পর মাইল ফাঁকা নির্জন এলাকা। মাঝে মাঝে কিছু কিছু প্লটের সীমানা নির্দিষ্ট করে নিচু দেয়াল নির্মাণ করে রাখা হয়েছে। আশেপাশে কোনো বাড়িঘর নেই। রাতের অন্ধকারে বৈদ্যুতিক খাম্বাগুলো ভূতের মতো দাঁড়িয়ে আছে। শবের মতো সাদা এক ফালি চাঁদ উঁকি দিচ্ছে পূবের আকাশে। বাতাস তার চোখে-মুখে স্নিগ্ধ পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে। ধূসর আকাশে ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘগুলো ভেসে ভেসে যাচ্ছে কোন অজানার উদ্দেশ্যে। পোশাকধারী একজন তাকে বলল—সিগারেট খাবে? সে বলল—হ্যাঁ। লোকটি তখন ওকে একটি সিগারেট দিয়ে তারপর লাইটারের আগুন দিয়ে সিগারেটটি ধরিয়ে দিল। সে তৃপ্তি সহকারে ধোঁয়া ছাড়ছে। ধোঁয়াগুলো একেবেঁকে কুণ্ডলী পাকিয়ে খোলা আকোশের বিপন্ন আঁধারে অদৃশ্য হয়ে যেতে লাগল। তার সিগারেট খাওয়া শেষ হলো। সে সিগারেটের শেষাংশটি মাটির দিকে ছুড়ে দিল। সেটা উড়ে গিয়ে মাটিতে পড়া মাত্র আকস্মাৎ দুটো গুলির শব্দ হলো। সে অনুভব করল দু’টো তপ্ত ধাতব পদার্থ হঠাৎ তার বুক বিদীর্ণ করে দিয়েছে। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। তার মনে হলো কেউ তার বুক ফুটো করে এসিড ঢেলে দিয়েছে। তার বুকে প্রচণ্ড জ্বালা হতে লাগল। তার দম নিতে কষ্ট হচ্ছে। তার চোখ অন্ধকার হয়ে আসছে। তারপর সে অন্ধকারের মধ্যে বোধের অতীত যে জগৎ রয়েছে সে জগতে চলে গেল।


চারিদিকে অসংখ্য গাছপালা রাতের অন্ধকারকে গাঢ়তর করে তুলছিল।


পার্কের মতো একটি জায়গায় সে জেগে উঠল। সে তাহলে মারা যায় নি। সে বেঁচে আছে দেখে যুগপদ বিস্মিত ও আনন্দিত হলো। উচ্ছ্বাসের একটা ক্ষীণ স্রোত তার বুকের মধ্যে দিয়ে সমস্ত শিরাউপশিরায় প্রবাহিত হয়ে তা অস্ফুট একটা হাসির রেখা হয়ে তার পাতলা ঠোঁটে ঝুলে রইল। সে পার্কের একটি বেঞ্চিতে শুয়েছিল। চারিদিকে অসংখ্য গাছপালা রাতের অন্ধকারকে গাঢ়তর করে তুলছিল। দূরে দূরে জ্বলতে থাকা লাইটপোস্টের বাতিগুলো সেই গভীর অন্ধকারের কাছে তাদের অসহায়তার কথাই প্রকাশ করছিল। সে একটা গাছের দিকে চাইল। গাছটিতে অসংখ্য বাঁদুড় উল্টো হয়ে মাথা নিচের দিকে দিয়ে গাছটির বিভিন্ন ডাল থেকে ঝুলছিল। আকাশের দিকে চেয়ে দেখে ডিমের কুসুমের মতো হলুদ চাঁদ ধূসর আঁধারে মেঘেদের আড়ালে চলে যাচ্ছে। আবার একটু পর মুক্তির আনন্দ নিয়ে নগরীর সমস্ত রাস্তা-ঘাট অলি-গলিতে তার মায়াবী আলো অকৃপণ হৃদয়ে ঢেলে দিচ্ছে। এমন সময় দু’জন পুলিশ তার কাছে এসে বলল যে রাত হয়ে গেছে। এখন আর পার্কে থাকা যাবে না। অগত্যা সে বেঞ্চি থেকে উঠে পড়ল। পকেটে হাত দিয়ে দেখে সেখানে সিগারেট আছে। সে একটি সিগারেট ধরিয়ে হেঁটে হেঁটে পার্কের বাইরে এসে একটা রিকশায় চাপল।

বেশ রাত হয়েছে বলে রাস্তায় খুব একটা যানজট ছিল না। সোডিয়াম লাইটের মিহি হলুদ আলোর মধ্যে দিয়ে রিকশাটা টুংটাং টুংটাং করতে করতে এক সময় তাদের গলির মুখে ঢুকে তাদের বাসার কাছে থামল। সে রিকশা থেকে নেমে ভাড়া চুকিয়ে বাসায় ঢুকল। জামা-কাপড় ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে এলে তার মা তাকে ভাত বেড়ে দিল। সে তৃপ্তি সহকারে খাবার শেষ করে ওর নিজের চিলেকোঠায় ঢুকল। ওর বোন তখন চা দিয়ে গেল। সে চা-সিগারেট শেষ করে শুয়ে বই পড়া শুরু করল। বই পড়তে পড়তে তার তন্দ্রার মতো ভাব এসে গেল।

কায়সার আহমদ

কায়সার আহমদ

জন্ম ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭; ঢাকা। বিএ (সম্মান), এমএ, ইংরেজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।...বিস্তারিত