Ο হয়তো নদী থেকে জলফল তুলছে একদল আধডোবা কিশোরী; কিংবা খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাচ্ছে কোনো উড়োজাহাজ Ο
১১.০১.২০১৫
সজল সমুদ্র; জন্ম : ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৮২, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম
প্রত্যেকটি নতুন বছরের শুরুতে ঘরে একটা রদবদল ঘটে। ক্যালেন্ডার। অনেকদিন পর্যন্ত তার ফটোগ্রাফিগুলো আমি উলটে-পালটে দেখি। উঁচু কোনো ভবন থেকে তোলা রাস্তা-পেরুনো একা মানুষের ছবি। সূর্যাস্তে, বিশাল একটা নদীতে একটিমাত্র মানুষের পারাপার। হয়তো নদী থেকে জলফল তুলছে একদল আধডোবা কিশোরী; কিংবা খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাচ্ছে কোনো উড়োজাহাজ, নিচে তারই পড়ে থাকা ছায়া! দেখি আর ভাবি। এক-একটা ছবি মূর্তিমান ধাঁধার মত কত গল্প ধরে আছে! জীবন থেকে, জীবনের দেখা থেকে লেখার মত, অনর্গল লিখে চলার মত, পাশ ঘেঁষে কত কি পড়ে থাকলো জীবনে!
হয়তো সামান্যই তার ভাবা গেল; লেখা আর হলো না! শুধু সংক্ষেপে বাঁচি!
Ο লাসভেগাস ঘুরে স্বাতীর পাঠানো ছবিগুলোও তো কম ভোগায় নি আমাকে Ο
১২.০১.২০১৫
হিরোসিমার কথা ভাবলে, আজকাল কেমন একটা মৃতবোধ নিজের ভেতরে এসে জুড়ে বসে। মনে হয়—ভেতরে পেখম ছড়িয়ে রোদ পোহাচ্ছে একটা আধমরা ময়ূর! এমন বোধ হয়তো মাছেরও হয়, আরেকটা মৃতমাছকে দেখে! হয়তো বা গাছেরও হয়, আরেকটা কাটাগাছ দেখে! আর, সেজন্যই হয়তো বা, অর্ণবের বিয়ের দিনে বীথি, রামিশার অকালমৃত্যুতে শোভন মুমূর্ষু হয়ে পড়েছিল। লাসভেগাস ঘুরে স্বাতীর পাঠানো ছবিগুলোও তো কম ভোগায় নি আমাকে! সেসবের দিকে তাকিয়ে, দীর্ঘ একটা সময় আমার আধা-ব্যাচেলর জীবনটাকে মনে হতো জীবন্ত আগ্নেয়গিরি!
কোনো কোনো অতীত প্রসঙ্গে আমার শুধু পোষা কুকুরটির কথা মনে পড়ে। কখনও কখনও যার ঘেউ ঘেউ শুনে মনে হয়—অসময়, বড় অসময়...
পেশা-শিক্ষকতা
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : 'পত্রে রচিত ভোর' (২০০৫, চিহ্ন প্রকাশন); 'ডালিম যেভাবে ফোটে' (২০১৪, চিত্রকল্প প্রকাশনী)
সম্পাদিত পত্রিকা- চিলেকোঠা
যোগাযোগ- sajalsomudro39@gmail.com
সজল সমুদ্র
জন্ম ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২; নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম, বাংলাদেশ। বাংলা ভাষা ও...
বিস্তারিত
জন্ম ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২; নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম, বাংলাদেশ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। পেশা : শিক্ষকতা, একটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। প্রকাশিত বই— পত্রে রচিত ভোর [কবিতা, চিহ্ন, ২০০৫ ডালিম যেভাবে ফোটে [কবিতা, চিত্রকল্প, ২০১৪ মীন, মকর ও মনোটোনাস [কবিতা, শব্দলোক, ২০১৭ ই-মেইল : sajalsomudro39@gmail.com (স্বল্প)