সাহিত্যে 'সেরা' বলে কিছু নেই। হতে পারে 'প্রিয়'। এইটুকু স্বীকার করবার পরও আমাদের মন বিদ্রোহ করে বসতে পারে। যা কিছু প্রিয়, তাই যখন অন্যের কাছে উপস্থাপন করি, সেটা সেরা বলেই তো হাজির হয়, নাকি!
তবু, আমরা এ কথা ভুলি নি যে, 'সেরা সাহিত্য' বাণিজ্য আর রুচির আধিপত্য সৃষ্টিতেই ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এবং আমরা এ কথাও গোপন রাখতে চাই নি যে, রুচির আধিপত্যকে মোকাবেলা করতে প্রয়োজন ভিন্ন রুচিরই সংহত প্রকাশ।
বাংলাদেশের গ্রন্থ প্রকাশ ও বিপণনে অমর একুশে বা ফেব্রুয়ারির বইমেলা ভরকেন্দ্র হিশেবে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত। এই এক মাসে যা প্রকাশিত হয়, তার মধ্যে দরকারি বইগুলির হদিস পেতে গণমাধ্যমের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া পাঠকের উপায় থাকে না। এ ব্যাপারে প্রিন্টিং ও অনলাইন পত্রিকা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মেলার আগে থেকেই বিভিন্ন বইয়ের বিজ্ঞাপন-প্রজ্ঞাপনে মিডিয়া-হাউসগুলি তৎপর হয়ে ওঠে, তবে সেটা তাদের অভিরুচি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিকতার শর্ত মেনেই।
দৈনিক পত্রিকাগুলোয় এক সময় রীতিমতো প্রতিযোগিতার একটা ব্যাপার ছিল বুক-রিভিউ নিয়ে। বেশ তাড়াহুড়ো করে, মেলা শেষ হতে না হতেই এ কাজে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ত। যে কোনো কারণেই হোক কিছুটা থিতিয়ে এসেছে এই হুল্লোড়।
বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে এবার 'পরস্পর' প্রকাশ করছে নির্বাচিত সাতটি কবিতা-বইয়ের আলোচনা। এই নির্বাচন নিয়ে মতান্তর থাকবে নিশ্চয়ই। আমরা ভিন্ন মত ও রুচির প্রকাশ দেখবার অপেক্ষায় রইলাম...
ভাঙা মিনারের শীর্ষে এক টুকরো চাঁদ
ফরিদ কবির
লেখাটি প্রক্রিয়াধীন
ভাষার পাষাণ-প্রাচীরে (অব)মুগ্ধ সহিস
সুহৃদ শহীদুল্লাহ
পুরুষ সম্পর্কে অনুভূতিসমগ্র
চঞ্চল আশরাফ
চিন্তামণির মুখ
মেসবা আলম অর্ঘ্য
জাফরানের গন্তব্য ও ঘ্রাণ
অনন্ত সুজন