আমার একলা পথের সাথি : ১৩

পর্ব-১২

 পর্ব-১৩

‘তরুণ লেখক প্রকল্পের’ উড়ন্ত ফড়িঙের মতো ফুরফুরে-স্বাধীন দিনগুলোর জন্য আমার ভারি আফসোস হতে লাগল। ওইসব দিনে নিজেকে যাচাই-বাছাই করার জন্য আমি যথেষ্ট স্কোপ পেয়েছিলাম। আর আমার এই ঘর-সংসারে আমি ছিলাম পরাধীন ও নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকা মানুষ। নিজের সংসারে বসবাস করা সত্ত্বেও আমি ছিলাম একজন আউটসাইডারের মতো। কোনো কিছু স্বাধীনভাবে করা বা বলার বা কেনার এখতিয়ার আমার একদমই ছিল না। এই সংসারে যে কোনো কিছু করতে হলে অবশ্যই আমাকে অন্যের অনুমতি প্রার্থনা করতে হতো। হতোই। নইলে ভয়ংকর কুরুক্ষেত্র ছিল অবশ্যম্ভাবী। আদতে আমার জীবন ছিল ঘিনঘিনে কেন্নোর চাইতেও ঘৃণ্য। আমি ছিলাম ভয়ানক ভীরু বা আহত কোনো পক্ষিণীর মতো। যে দিনের আলো দেখলে ভয়ে শিউরে উঠত—আবার রাতের অন্ধকার ঘনিয়ে এলেও জড়সড় হয়ে খোঁড়ল খুঁজে চলত লুকিয়ে থাকবার অভীপ্সায়। পক্ষিণীর দুইটা ডানাই ছিল চতুর ও দক্ষ এক শিকারির গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া। ফলত পক্ষিণী কোনোদিন উড়তে পারবে সেরকম কোনো সম্ভাবনাও আর ছিল না। আমি তবুও সব মানিয়ে নেয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। সদাই সবার মন জুগিয়ে চলতে চাইতাম। অন্যের হাতের ক্রীড়নক পুতুল হয়ে নিজের দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে কোনোমতে রক্তাক্ত দিনগুলো গুজরান করে যেতাম। তবুও আমার নিস্তার মিলত না। সামান্য যে কোনো কিছু নিয়েই দুর্ব্যবহারের সীমাপরিসীমা ছিল না। যেমন : বাচ্চাদের সামলিয়ে, ঘরের কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে আমি গান শুনতে ভালোবাসতাম। গান শুনে হয়তো মিউজিক-সিস্টেমের কানেকশনের সুইচটা অফ করতে ভুলে যেতাম। এটা যে কোনো সিরিয়াস বা গর্হিত অপরাধ তা আমার চিন্তাতেও থাকত না। কিন্তু অফিস থেকে ফিরেই কৈফিয়ত তলব শুরু হয়ে যেত—

কে গান শুনেছে? [অর্থাৎ গানও শোনা যাবে না তার হুকুম না পেলে সুইচ অন করে রাখা কেন? বলেই ভ্রু কুচকে বিরক্তি প্রকাশ করে সুইচ অফ করতে করতে বিড়বিড় করে কিসব বলা। [অনেক পরে বুঝতে পেরেছিলাম এই সংসারে আমাকে পরগাছার মতোই কোনোরকমে শ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে। কারণ আমি ভীষণ রকম শোভিনিস্ট একজনের পাল্লায় পড়েছি


আদতে ভাঙা-কাঁচের অজস্র টুকরো পায়ে বেঁধার কষ্টের চাইতে আমার মনোবেদনা ঢের বেশি কষ্টকর ছিল!


প্রতিদিনই এরকম নানান ইস্যু নিয়ে অকথ্য অপমান আর অবহেলায় আমাকে ক্ষত-বিক্ষত হতে হতো। আমি আমার বাবার বাসায় যে-রকম ঘোরপ্যাঁচহীন, সহজ, শান্ত ও সৎ জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলাম, বিয়ের পর এখানে এসে দেখি সেইসবের ছিটেফোঁটাও নাই। আব্বা আমাদের অত্যন্ত আদর্শবাদী হিসেবে বড় করে তুলেছিল—আমরা দুই-ভাইবোন জোচ্চুরি, প্রতারণা, মিথ্যা কথা বলা বা ওপরচালাকি কোনোদিনই শিখতে পারি নাই। বা এইগুলো আমরা কোনোদিন করব বলেও ট্রাই করি নাই। আব্বা বলত ‘বিনয় তোমাকে এনে দেবে জয়ের মালা’—কিন্তু আব্বার এইসব মহৎ মনোভাব এই ভয়ানক-অসভ্য-পৃথিবীর জন্য কতটা ভুল ছিল সেকথা বলাই বাহুল্য। সকলেই আমার বিনয়কে দুর্বলতাই ঠাওরে নিয়েছিল। এমনকি আমার নিজ পরিবারের সদস্যরাও আমাকে দুর্বল, অসহায় ও টেকেন ফর গ্র্যান্টেড হিসেবেই দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার অতি-বিনয়ী হওয়ার সুবাদে সকলেই তাদের সম্মিলিত অত্যাচার চালিয়ে যেতে পেরেছিল। এবং তারা নিজেদের বিকৃত-আনন্দকে সতেজ রাখার মোক্ষম উপায় হিসেবে আমাকে নিয়তই তুচ্ছতাচ্ছিল্যের হুলে বিদ্ধ করত।

সবকিছু অসহ্য ঠেকলে আমি মাঝেসাঝেই বিদ্রোহ করে বসতাম। প্রচণ্ড চিৎকার, চেঁচামেচি জুড়ে দিয়ে কাঁচের গ্লাস-প্লেট ভেঙেচুরে একাকার করে ফেলতাম। হয়তো তৈজসপত্র ভাঙাভাঙি করে নিজের ভেতরে জমে থাকা ক্রোধ, অপমানের তীব্র দহনকে কমাতে চাইতাম। সেইসব ভাঙা-কাঁচের টুকরোর উপর পা ফেলে আমি একেবারে নির্বিকার হেঁটে যেতাম। আদতে ভাঙা-কাঁচের অজস্র টুকরো পায়ে বেঁধার কষ্টের চাইতে আমার মনোবেদনা ঢের বেশি কষ্টকর ছিল! কোনো কোনোদিন বাসায় টিকতে না-পেরে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বা চিড়িয়াখানায় একা একা চলে যেতাম। আমার তখন কিছুই ভালো লাগত না। মাথার ভেতর প্রচণ্ড অপমান আর রাগের আগুন দাউদাউ করে জ্বলত। আমি বোটানিক্যাল গার্ডেনে একা একা যেতাম নিজেকে শান্ত করে ফিরে আসার জন্য। একা যেতাম নিজের মতো করে চিন্তা করার জন্য। এবং বোটানিক্যালে একা-একা হেঁটে বেড়িয়ে আমার মন সত্যি সত্যিই শান্ত হয়ে উঠত। হয়তো ওই একাকী সময়ক্ষেপণ মেডিটেশনের কাজ করত। প্রচণ্ড মন খারাপের ওইরকম এক দিনে আমি গার্ডেনে ঢুকে দেখি বৃক্ষদের শাখামাথা প্রায় ন্যাড়া করে দিয়ে অজস্র পাতা ঝরে পড়ছে। আমার পায়ের নিচে শুকনো পাতার প্রলম্বিত মর্মর বেজে চলছে তো চলছেই। আর আমিও হাঁটছি তো হাঁটছিই। ক্লান্তিকে যমালয়ে বর্গা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বোটানিক্যালের অন্য প্রান্তে চলে এসেছি। চলে এসেছি একেবারে পদ্মপুকুরের ধারে। আমি বিষণ্ন মনে তাকিয়ে দেখছি পুকুরের জলে অজস্র পদ্মের সবুজ-গোলাপি-কুঁড়ি মাথা উজিয়ে আছে। তারা যেন আমার মতোই মুখ বুজে বুজে নতুন কোনো ভোরের জন্য অপেক্ষারত। যেন-বা সূর্যের আলোর দেখা পেলেই তারা হেসে উঠবে। জলের উপর সামান্য মুখ বাড়িয়ে রাখা পদ্মকুঁড়িরা নিশ্চিত জেনে গেছে, ভোরের-আলো ছাড়া তাদের ফুটে ওঠা একেবারেই অসম্ভব। তেমনি তারা এটাও নিশ্চিত জানে, থকথকে পঙ্কের মাঝে শেকড় ডুবিয়ে রেখেই পদ্মফুল পাপড়ি মেলে।

ক্লান্ত শরীরে হাঁটতে হাঁটতে আমি আনমনে দেখতে থাকি—বিশাল বিশাল ঘুমগাছগুলোর গাঢ়-সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে হালকা ম্যাজেন্টা রঙের ফুলেরা সুস্বাস্থ্যে বিকশিত হয়ে আছে। হয়তো সন্ধ্যা সমাসন্ন বলে গাছগুলোও ঝিমাতে শুরু করেছে—যেন এক্ষুনি তারা পাতা মুড়েটুড়ে ঘুমিয়ে পড়বে। ফের জেগে উঠবে কোনো রবিরাগের নব-সৌন্দর্যে মোহিত হওয়ার জন্যে। সহসা তাকিয়ে দেখি, বোটানিক্যালের শেষ-দেয়ালের ওপাশে কমলা রঙের ট্রাম্পেট ভাইনের মতো সূর্যটা কোথায় যেন হারিয়ে যেতে বসেছে!


পাপড়ি আপা, সেলিনা আপা [সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন আপনেরে দেখা করতে বলছে।


ঘুমগাছগুলোকে অক্লেশে ঘুমের ঘোরে ঢুলুঢুলু হতে দেখেও বাসায় ফিরে আমি কেন যেন কিছুতেই ঘুমাতে পারি না। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের শতবর্ষের নির্জনতা সামনে খুলে নিয়ে সারারাত জেগে বসে থাকি। জেগেও ঠিক নয়, হয়তো তন্দ্রার-ঘোরেই বসে থাকি। পরের দিন ঠিক সকাল ১০টা নাগাদ বাসার টি অ্যান্ড টি ফোনটা বেজে উঠলে আমার সারারাতের তন্দ্রাচ্ছন্নতা কেটে যায়। এবং কলটা আমিই রিসিভ করি—বাংলা একাডেমি থেকে ফোন। জিয়াউল হক ভাই রিসিভারের অপর প্রান্ত থেকে বলেন—

পাপড়ি আপা, সেলিনা আপা [সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন আপনেরে দেখা করতে বলছে।

আমি মনে মনে সামান্য ভড়কাই, সেলিনা আপা ডেকেছেন কী জন্য?

চারপাশের নানান চাপে ভীষণ বিক্ষিপ্ত থাকলেও পরদিনই আমি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের দিকে দৌড়াই। বাংলা একাডেমির সবুজ-লনের ধার ঘেঁষে পাকা-রাস্তার উপর দিয়ে কিছু শুকনো পাতার উড়ে যাওয়ার ধ্বনি শুনতে পাই ফের। সেলিনা আপার চেম্বারের দরজায় দাঁড়িয়ে ভেতরে ঢোকার অনুমতি প্রার্থনা করি—

আপা, আসব?

সেলিনা আপা আমাকে দেখে সহাস্যে বলেন—

আরে পাপড়ি, আসো আসো। আমিই তোমাকে আসতে বলেছিলাম।

চারপাশে রাজ্যির বই আর স্তূপ ফাইলের মাঝখানে আপা বসে আছেন।

মৃদু ও আন্তরিক কণ্ঠে আমাকে বলেন—

কংগ্রাচুলেশন্স পাপড়ি!

আমি আপার দিকে বোকার মতো তাকিয়ে থাকি।

আপা বলেন, শোনো পাপড়ি, তোমাদের চল্লিশজনের মাঝে অধিকাংশের পাণ্ডুলিপিই কিন্তু রিজেক্টেড হয়েছে। প্রায় সবাইকেই রি-রাইট করতে হবে, নতুন করে সবকিছু ফের লিখতে হবে। শুধু তোমাদের দুই/তিনজনের পাণ্ডুলিপি নিয়ে খুবই পজিটিভ মন্তব্য পেয়েছি আমরা।

তোমার ইভ্যালুয়েটর ছিলেন বশীর আল হেলাল। দেখো কী লিখেছেন তিনি তোমার পাণ্ডুলিপি নিয়ে?

বলে আপা আমার দিকে একটা এ-ফোর সাইজের ধবধবে শাদা কাগজ বাড়িয়ে দিলেন—

অদ্ভুত সুন্দর কিন্তু সামান্য প্যাঁচানো হস্তাক্ষরে নাতিদীর্ঘ মন্তব্য করেছেন বশীর আল হেলাল।

পড়তে পড়তে ক্রমশ আমার চোখ অশ্রু ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

বশীর আল হেলাল লিখেছেন—

তরুণ লেখকদের মাঝ থেকে এরকম পাণ্ডুলিপি পেয়ে চমকে উঠলাম। তরুণ কারো কাছ থেকে এরকম গল্প পাব আমি সত্যিই আশা করি নাই। এত ম্যাচিউরড লেখা যে, পড়ে মনে হচ্ছে অনেক দিনের পরিপক্ব হাত। দীর্ঘ সাধনার পর এসব গল্প লেখা হয়েছে।

দারুণ ডিটেলিংয়ের কাজ। চমৎকার বিষয় নির্বাচন ও বাক্যবিন্যাস।

এইরকম আরও কিছু লাইন লিখে উনি আমার ‘সকল অন্ধকার হে আমার’ গল্পগ্রন্থের ‘পাণ্ডুলিপি মূল্যায়ন’ করেছেন। আজও নিশ্চয়ই বাংলা একাডেমির ১৯৯৭ সালের ‘তরুণ লেখক প্রকল্পের’ ৫ম ব্যাচের নথিপত্রে বশীর আল হেলালের করা সেই মূল্যবান ‘মূল্যায়ন-পত্রটি’ রক্ষিত আছে। আর আমিও সেদিন সেলিনা আপার অনুমতি নিয়ে বশীর আল হেলালের ইভ্যালুয়েশন পত্রটি ফটোকপি করে বাসায় নিয়ে এসেছিলাম। কারণ ওটাই ছিল প্রথম কোনো বড় মাপের সাহিত্যিকের কাছ থেকে লিখিত আকারে পাওয়া আমার জন্য প্রথম আশীর্বাদ।

সেলিনা আপা বলতে লাগলেন—

মনে রেখো, বশীর আল হেলালের করা মন্তব্য কিন্তু ফেলনা নয়, পাপড়ি। উনি কোনো হেজিপেজি সাহিত্যিক নন। অনেক উঁচু মাপের সাহিত্যিক বশীর ভাই। সময় করে তুমি একদিন উনার সাথে দেখা করো।

আমি আপার পা স্পর্শ করে চুপচাপ বের হয়ে এলাম।


যারা পুরস্কার কব্জা করে নিয়েছিল তারা এখন কই? কই তাদের সেরকম কোনো লেখাপত্র?


অফিস কো-অর্ডিনেটর জিয়া ভাইয়ের সাথে দেখা হলে তিনি হাসতে লাগলেন। জিয়া ভাই ছিলেন মৃদুভাষী ও অত্যন্ত রসিক মানুষ। আমাদের চল্লিশ জনের ইভ্যালুয়েশন-পত্রই সম্ভবত উনি দেখে থাকবেন।

জিয়া ভাই হাসতে হাসতে বললেন—

পাপড়ি আপা, আপনে যে এত ভালো ল্যাখেন আমরা তা কেউ-ই বুঝতে পারি নাই!

আমি বললাম—

আরে না, কী বলেন। আমি তো মাত্র লিখতে শুরু করেছি। এখনো তেমন কী আর লিখছি?

জিয়া ভাই আমার কথাকে উড়িয়ে দিয়ে বললেন—

সব খালি-কলসীরা বাইজ্যা বাইজ্যা চইলা গেল। আর আমরা তাদের নিয়া নাচানাচি করলাম। পাপড়ি রহমান কিনা ভরা-কলস, কোনো শব্দ না কইরা চুপচাপ চইল্যা গেল! এইটা কেমন  কথা—আপনে যে ভরা-কলস সেইটা আমরা কিনা বুঝতেই পারলাম না?

জিয়া ভাইয়ের কথা শুনে আমিও হাসতে লাগলাম।

‘তরুণ লেখক প্রকল্পে’ ঢুকেই আমরা বিভিন্ন গ্রুপকে দেখছিলাম। একটা ছিল ‘চট্টগ্রামের গ্রুপ’। এরা কী কৌশলে যেন ওই প্রকল্পের পুরস্কারগুলো বাগিয়ে নিয়েছিল। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কবি ও গল্পকার চঞ্চল আশরাফকে সেসব পুরস্কারের বিপক্ষে প্রতিবাদ করতেও দেখেছিলাম। আজ এত বছর বাদে ভাবি, যারা পুরস্কার কব্জা করে নিয়েছিল তারা এখন কই? কই তাদের সেরকম কোনো লেখাপত্র? বা সাহিত্যে জায়গা করে নেবে তাদের তেমন কোনো বইপত্র-ই বা কই? আর এতদিন বাদে বাংলাদেশের সাহিত্যে চঞ্চলের অবস্থান কী বা কেমন? একথাই তাহলে সর্বাংশে সত্য—সময়ই কেবল সবকিছুর সঠিক উত্তর দিতে পারে। এবং এই উত্তরটা জানার জন্য শুধু দুই/তিন যুগ অপেক্ষা করতে হয়। চঞ্চলের মতো মেধাবী লেখককে ওইসময় পুরস্কার বঞ্চিত করে বাংলা একাডেমি নিশ্চয়ই মন্দ কর্মই করেছিল। অন্যদের তৈলবাজিতে বায়াসড না-হয়ে সত্যিকার মেধাবীদের সবসময়ই যোগ্য সমাদর করা উচিত—বাংলা একাডেমির কাছে এরকম প্রত্যাশা থাকা নিশ্চয়ই মামাবাড়ির আবদার নয়।


পর্ব-১৪ আগামী বুধবার প্রকাশিত হবে

পাপড়ি রহমান

পাপড়ি রহমান

জন্ম ১৯৬৫, ঢাকা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং...বিস্তারিত

এই লেখকের সব লেখা