আমার একলা পথের সাথি :৩০

পর্ব-২৯

পর্ব-৩০

‘নদীর মতো বহু পথ ঘুরে আসা’ আমার উপন্যাসের পাণ্ডুলিপিটি বই হয়ে প্রকাশিত হওয়ার পরে কমবেশি আলোচনায় আবর্তিত হতে লাগল। শ্রদ্ধাভাজন লেখক পশ্চিমবঙ্গের সুরঞ্জন প্রামাণিকও বইটি নিয়ে একটি ইতিবাচক আলোচনা লিখে পাঠালেন। এদিকে দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাচনে সেরা ১০ তরুণের একটি বই হিসেবেও এই উপন্যাসটি আলোচিত হলো। দৈনিক প্রথম আলোর দেখানো পথ ধরে দৈনিক আজকের কাগজের সাহিত্য সাময়িকীও তখন ‘সেরা সাতের’ নির্বাচন দিয়ে যাচ্ছিল। এঁরা করছিল নির্বাচিত সাত কাব্যগ্রন্থ, সাত কথাসাহিত্য এইভাবে। এবং ঘটনা চক্রে [বা হতে পারে আমাকে বাদ দেয়া যাচ্ছিল না বিধায় আমার উপন্যাসটিও এঁদের নির্বাচনে সেরা সাত গ্রন্থের একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আজকের কাগজ সাহিত্য সাময়িকী সুবর্ণ রেখায় পোড়া নদীর স্বপ্নপুরাণ উপন্যাসটির আলোচক ছিলেন আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। যিনি আমার শিক্ষক ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব। এ জীবনে আমি মূল্যবান বহু কিছুই হারিয়ে ফেলেছি। যেমন হারিয়েছি আমার ক্যারিয়ার, আমার বিশ্ব পর্যটক হওয়ার স্বপ্ন, মানুষের কল্যাণে কিছু একটা করার অভিপ্রায়—এরকম বহুকিছুই আমি জলাঞ্জলি দিয়েছি বা পারিবারিক চাপে বিস্মৃত হতে বাধ্য হয়েছি। আমি হারিয়ে ফেলেছি জীবনে প্রথম পাওয়া প্রেমপত্র, দাদাজানের চিঠি, আব্বার লেখা উপদেশমূলক দীর্ঘ পত্রাবলি—এরকম বহু কিছুই। কিন্তু আমার স্যারের করা সেই আলোচনাটি আমি বহু যত্ন করে সংরক্ষণ করেছি। কারণ ওই আলোচনাকে আমার গুরুর আশীর্বাদ হিসেবেই মাথায় তুলে রাখতে চেয়েছি।


পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ বাংলা উপন্যাসের ধারায় সংযোজন করেছে সম্ভাবনার এক নতুন মাত্রা।


ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ উপন্যাস নিয়ে লিখেছিলেন—

পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ পাপড়ি রহমানের প্রথম উপন্যাস। ঢাকার উত্তরণ থেকে প্রকাশিত এ উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম আবির্ভাবেই পাপড়ি চিনিয়ে দিয়েছেন তার জাত, বুঝিয়ে দিয়েছেন সস্তা জনপ্রিয় ধারার উপন্যাস নামের পণ্যস্রষ্টা তিনি নন। তিনি যে পরিশ্রম করে লেখেন, তার যে আছে পরীক্ষাপ্রবণ মানস, তিনি যে গড়ে তুলতে চান নিজস্ব একটি সংগঠন শৈলী ও ভাষারীতি—পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ পড়ে সচেতন পাঠক তা সহজেই উপলব্ধি করতে পারবেন। নাগরিক মধ্যবিত্তের ঘ্যাঙর-ঘ্যাঙর আর প্যাঁচ-প্যাঁচানিময় প্রেম নয়, উপন্যাসের জন্য পাপড়ি বেছে নিয়েছেন ঘাঘর-তীরবর্তী কিংজলা গ্রামের নিম্নবর্গের মানুষের জীবনসংগ্রাম আর যাপিত জীবনের চালচিত্র। উপন্যাসের এই বিষয় নির্বাচনই প্রকাশ করে দেয় ঔপন্যাসিক হিসেবে পাপড়ি রহমানের প্রাতিস্বিকতা। সন্দেহ নেই, পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ বাংলা উপন্যাসের ধারায় সংযোজন করেছে সম্ভাবনার এক নতুন মাত্রা।

ঘাঘর নদী, বাঘিয়ার বিল, কিংজলা গ্রাম আর ঘাঘর-তীরবর্তী জনপদ পাপড়ি রহমানের আলোচ্য উপন্যাসে চমৎকার এক ভাষারীতিতে বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে। পাপড়ির স্বাতন্ত্র্য এখানে যে, সমকালীন জীবন সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে তিনি সংস্কার, লোকবিশ্বাস, অলৌকিকতা, প্রেম, রাজনীতি, লোকজাগরণ, এমনকি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের কথাও সাবলীল ভঙ্গিতে অনায়াস দক্ষতায় বিমণ্ডিত করে দেন।

মহাকাব্যিক বিশালতায় পাপড়ি শুরু করেছেন তার পোড়ানদীর স্বপনপুরাণ। কিংজলা গ্রামের বুকের উপর চিত হয়ে শুয়ে থাকা ঘাঘর নদীর বর্ণনা দিয়ে শুরু এই এ উপন্যাস। এরপর কিংজলা গাঁয়ের রুস্তম, ইদ্রিস, সানোয়ার ডাক্তার, কার্তিক, হারান, সুধীর, এলাচিবিবি, আবিতন, ল্যাংড়িধলি, বাসন্তী, পারুমাসী, রানু-জানু এসব নরনারীর জীবনের নানা টুকরো কথায় ভরে উঠেছে পোড়ানদীর স্বপনপুরাণ। পাপড়ি রহমানের বয়ানে কিংজলা গ্রামের যেসব নরনারীর সাক্ষাৎ পাই আমরা, তারা কেবল কিংজলা গ্রামেরই মানুষ থাকে না, হয়ে ওঠে আমাদের সমগ্র বাংলাদেশেই ছড়িয়ে থাকা আমাদের অতি-পরিচিত আপনজন…

কেবল বহির্বাস্তব জীবনের চালচিত্র অঙ্গনেই নয়, মানুষের অন্তর্গত জগৎ উন্মোচনেও এ উপন্যাসে পাপড়ি রেখেছেন প্রতিশ্রুতির স্বাক্ষর। এ প্রসঙ্গে আনোয়ার এবং ল্যাংড়িধলির চরিত্র বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়। আনোয়ারের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণে পাপড়ির সার্থকতা একবার পরীক্ষা করা যাক—‘আমি নিশ্চিত জানি, মানুষের ধর্মই এমন। মানুষ দীর্ঘ সময় মনের বা শরীরের একাকিত্ব বইতে পারে না। মানুষের সহজাত প্রবণতা আশ্রয় সন্ধান করা। ফলে সে নিজের অজান্তেই কারো না কারো কাছে সমর্পিত হয়। যে যত যাই বলুক—যুক্তি তর্কের তুবড়ি তুলুক—মানুষ আসলে কাউকে না কাউকে অবলম্বন ভেবেই বাঁচতে চায়। লতা যেমন বৃক্ষকে অবলম্বন করে বেঁচে ওঠে।’ বোঝা যায় ল্যাংড়িধলির প্রতি তীব্র আকর্ষণকেই আনোয়ার এভাবে একধরনের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন দিয়েছে।…

পোড়া নদীর স্বপ্নপুরাণ উপন্যাস, আগেই বলেছি, শুরু হয়েছে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা দিয়ে। উপন্যাসের অনেক চরিত্রই পাপড়ির স্বকীয় শিল্পবোধকে ধারণ করে আছে। প্রসঙ্গত স্মরণ করা যায় তহিরণ ধাই, গৌতম, সানোয়ার ডাক্তার, পারুমাসী, এলাচিবিবি, আর আনোয়ার চরিত্র। চরিত্রগুলি পূর্ণতামুখী হতে হতেই হঠাৎ থেমে যায়। বলা যায়, প্রায় সব চরিত্রই বরণ করে নিয়েছে একই ধরনের পরিণতি—পরাভবই যার শেষ কথা। সব কিছুকেই মেনে নেয়ার এক অদৃশ্য নির্দেশ এসব চরিত্রের উপর ভর করেছে। তবু হোমিংওয়ের দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি উপন্যাসের সেই অন্তিম বাণী—

‘Man can be destroyed but not be defeated’ চেতনাই যেন কিংজলার অধিবাসীদের অন্তিম প্রেরণা।

পরাজয়ের যন্ত্রণা গ্রাস করলেও তারা আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, সে-দাঁড়ানোই যেন ঔপন্যাসিক সর্বজ্ঞ দৃষ্টিকোণে ফুটিয়ে তোলেন উপন্যাসের অন্তিম ভাষ্যে—

‘নদীর জল প্রবাহিত হয় আপন স্বভাবে। ফলে ঘাঘরপারের অধিবাসীদের সামনে কখনো ক্ষীণতোয়া নদী—কখনোবা অতল জলরাশি। আর মাথার উপর একক-অনন্ত-স্থির-অবিচল-অবারিত-উন্মুক্ত আকাশ…।


নিম্নবর্গের মানুষের ভাষায় তিনি সার্থকতার সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছেন আঞ্চলিক লোকায়ত শব্দ ও কথার ঢং।


ঘাঘর-তীরবর্তী মানুষদের কথা বলতে গিয়ে পাপড়ি রহমান, পূর্বেই বলেছি, নির্মাণ করেছেন এক চমৎকার ভাষারীতি। নিম্নবর্গের মানুষের ভাষায় তিনি সার্থকতার সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছেন আঞ্চলিক লোকায়ত শব্দ ও কথার ঢং। বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে পাপড়ির এই কৌশল। স্মরণ করা যাক ল্যাংড়িধলির কথা—

‘নিমরদ্যা জিন—এক্করে পেত্নীর পো আর কি! আমার ভালা পা-ডা খালি। তর রাক্ষুস্যা পেড তবু ভরে না। অমন জোয়ান মরদডারে নিরুদ্দেশ কর‍্যা দিলি! বুবায় আর কত সব্বোনাশ করবো গো!’

চরিত্রের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণে  এবং পরিণাম নির্দেশে পাপড়ি রহমান এ উপন্যাসে চমৎকার ব্যবহার করেছেন প্রকৃতি-পরিপ্রেক্ষিত। প্রকৃতিতে কখনো পশ্চাৎভূমিতে রেখে, কখনো অগ্রগতিতে স্থাপন করে তিনি নির্মাণ করেন আসন্ন বিপর্যয়ের ছবি।

যেমন, নৌকাবাইচের নৌকা ডোবার পূর্বেকার প্রকৃতিচিত্র—

‘কিংজলার বাইচের পর্বে এবার কী যেন হয়! বিশাল বিশাল ঢেউ নিয়ে জল ছলকে ছলকে ওঠে! বাঘিয়ার বিলে উন্মত্ত জলঘূর্ণি ভয়ানক রোষে আছড়ে পড়ে। আর ঘাঘর ক্ষিপ্র এক পাগলের মতো লাফিয়ে ওঠে। ঘাঘরের বুকের কন্দর থেকে অতিকায় হাতির দীর্ঘ শুঁড় আকাশ পানে উত্থিত হয়।’

কিংবা ‘কিংজলার আসমানে উঁকি দেয় ঘোর বিপদ। আলোর রথ উধাও হয়ে সেখানে বিশাল বিশাল মেঘের খণ্ড ভাসে। কাজল কৃষ্ণ মেঘ। মিশিবরণ মেঘ। সুরমাঢালা মেঘ। কালোকেশর মেঘ। এইসব মেঘছায়ায় কিংজলার দিনে দুপুরে আন্ধার নেমে আসে।’

বর্ণনায় ডিটেলসকে ধারণ করতে চান পাপড়ি। এ কারণে বর্ণনামূলক পরিচর্যায় তার দক্ষতা প্রায়ই ফুটে উঠছে এ উপন্যাসে। তার কোনো কোনো বর্ণনামূলক পরিচর্যা শব্দস্রোতে নিয়ে আসে কবিতার লাবণ্য। যেমন—আষাঢ় কি শাওন কি ভাদ্দরে কিংজলার আসমান মেঘে মেঘে ছেয়ে যায়। আবলুস রঙা মেঘ। কাজল কৃষ্ণ মেঘ। ভ্রমরের পাখনা ওড়ানো মেঘ। এই মেঘ শামিয়ানার নিচে ঘাঘরের জল তখন অন্য রং ধরে। কাজলকৃষ্ণ জল। আবলুস রঙা জল। ভ্রমরের পাখনা ওড়া জল। যতদূর চোখ যায় শুধু জল আর জল।

‘পোড়ানদীর স্বপ্নপুরাণ’ উপন্যাসের নান্দনিক সৌন্দর্যের অন্যতম উৎস এর অসাধারণ কিছু অলংকার। অলংকার সৃজনে পাপড়ি রহমানের নিজস্বতা সহজেই পাঠকের চোখে ধরা পড়বে। যেমন—

উপমা

ক. ঘাঘরের মিশিবরণ আথাল-পাথাল জল। ক্রমে তা ফুলে ওঠে। ফুলতে ফুলতে দাঁড়াশ সাপের কোমরের মতো এঁকেবেঁকে ধায়।

খ. তাদের তামাটে বরণ মুখে পাহাড়ি ঝরনার মতো খুশি চিকচিত করে।

উৎপ্রেক্ষা

ক. জলের ভারে বুক তার উঁচু হয়ে ওঠে—যেন যুবতী নারীর ভরাট স্তন।

খ. ফুল নয় যেন রাশি রাশি শুকতারা ঘাঘরে লুটোপুটি খেয়ে ভাসে।

সমাসোক্তি

ক. সূর্য ঘাঘরের ওপর কাত হয়ে ঝুলে আছে।

চিত্রকল্প

ক. চিতার দাউদাউ আগুনে পুড়তে পুড়তে মা-ই একসময় আকাশ হয়ে উঠেছিল।


পোড়া নদীর স্বপনপুরাণ নদীভিত্তিক বাংলা উপন্যাস ধারায় যে স্বকীয় মাত্রা যুক্ত করেছে—সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। 


... অনেক লেখকেরই নিজস্ব একটা কি একাধিক নদী থাকে। যেমন শলকভের ছিল ডন, রবীন্দ্রনাথের পদ্মা-চিত্রা-কোপাই-খোয়াই, মানিকের পদ্মা, সমরেশের গঙ্গা, বিভূতিভূষণের ইছামতি, অদ্বৈতের তিতাস, নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়ের মহানন্দা তেমনি ঘাঘর হয়ে গেল পাপড়ি রহমানের নদী। এই নদী আর তার তীরবর্তী জনপদকে নিয়ে পাপড়ি পোড়া নদীর স্বপনপুরাণ উপন্যাসের মাধ্যমে সৃজনশীলতার যে পথযাত্রা শুরু করলেন, ভবিষ্যতে তা আরো ঋদ্ধ হবে—এই অঙ্গীকার আলোচ্য উপন্যাস থেকে আমরা পেয়ে যাই। পোড়া নদীর স্বপনপুরাণ নদীভিত্তিক বাংলা উপন্যাস ধারায় যে স্বকীয় মাত্রা যুক্ত করেছে—সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

আমার প্রথম উপন্যাস নিয়ে ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের এমন ঋদ্ধ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ  আলোচনায় আমি এতটাই আনন্দিত হয়েছিলাম যে, বইটি নিয়ে পূর্বাপরের আমার যাবতীয় বাজে অভিজ্ঞতাজাত বেদনা ও অপমান প্রশমিত হয়ে গিয়েছিল। চোখের জলে ভাসতে ভাসতে আমি আমার অত্যন্ত প্রিয় স্যারকে মনে মনে শত-সহস্রবার ধন্যবাদ-কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলাম। যদিও বাস্তবে তা কোনোদিনই জানানো হয় নাই। এই সুযোগে আজ এখানে অকপটে বলে যাই—

স্যার, আপনার আশীর্বাদের শত শতদল আমি চিরকালই মাথায় তুলে রেখেছি।

আজও আপনার এ লেখাটি আমার ভেঙে-পড়া সময়ে আশা জাগায়। সান্ত্বনা দেয়। আমাকে পুনরায় জীবনমুখী করে তোলে।

আমার কত বই নিয়ে কত কত আলোচনাই তো হয়েছে, হলো, হচ্ছে—কিন্তু এই লেখাটি আমাকে যে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছিল তা কোনোকিছুরই তুল্য নয়।

বহু যুগ আগে, আমার শৈশব-কৈশোরে—আম্মা তোরঙ্গের ডালা খুললে কাপড়ের ভাঁজে থাকা ন্যাপথলিনের থইথই সৌরভ কিরকম এক অচেনা-ঘোরে আমাকে যেন আচ্ছন্ন করে ফেলত! আমি সেই সুগন্ধে বিমোহিত হয়ে যেতাম—স্যারের এই লেখাটি আজও আমায় তেমন অচেনা কোনো সুরভিতে আচ্ছন্ন করে তোলে। চোখ বুজেও আমি যেন স্পষ্ট দেখতে পাই—স্যারের স্নেহময় আশীর্বাদের হাতটি আমার মাথার উপর স্থির রাখা আছে।


পর্ব-৩১

পাপড়ি রহমান

পাপড়ি রহমান

জন্ম ১৯৬৫, ঢাকা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং...বিস্তারিত

এই লেখকের সব লেখা