আমার একলা পথের সাথি : ২৩

পর্ব-২২

পর্ব-২৩

‘তরুণ লেখক প্রকল্পে’ আমার প্রথম গল্পগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি ‘সকল অন্ধকার হে আমার’-এর দশটি গল্প জমা দিয়ে রেখেছিলাম। ওই গল্পগুলো বাংলা একাডেমিতেই ফাইল-বন্দি হয়ে পড়ে ছিল। ‘খনা প্রকাশন’ থেকে যখন আমার লখিন্দরের অদৃষ্টযাত্রা [প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি প্রকাশিত হলো, তখনো আমি ওই দশ গল্প থেকে একটা গল্পও বইতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি নাই। কারণ বাংলা একাডেমি আমাদের তখনো স্পষ্ট করে কিছুই জানিয়ে দেয় নাই। তাঁরা জানায় নাই যে, বইটি তাঁরা করবে কী করবে না? কিন্তু প্রকল্পের নানান কিসিমের জটিলতায় বাংলা একাডেমি থেকে আমাদের বই প্রকাশ একেবারে অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়াল। আর আমরাও মন খারাপ করে সেসব দেখতে লাগলাম। আমাদের মন খারাপ হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা ছিল। কিছু স্বপ্নবাজ সদ্য-তরুণ লেখকের প্রথম বই বাংলা একাডেমির মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হওয়া ছিল অত্যন্ত মর্যাদাকর ও আশাব্যঞ্জক ঘটনা। আর তা যখন হলো না, আমরাও আমাদের স্বপ্নঘুড়ির সুতা-নাটাইসহ একেবারে মুখ থুবড়ে পড়লাম মাটিতে।


আমি কোনোকিছু নিয়েই কাউকে রিকোয়েস্ট করতে পারার মতো ব্যক্তিত্বহীন কোনোদিনই হতে পারি নাই।


সিরিয়াসলি লিখব বা লেখক হব এই সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকে আমি যা-ই লিখছিলাম সেসবে আমার কখনই কোনো তাড়াহুড়া বা জোরজারি ছিল না। নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে দুই হাজার এক সাল পর্যন্ত, এই  ছয়/সাত বছরে আমি গল্প লিখেছিলাম সাকুল্যে ১৬/১৭ টার মতো। গল্পগ্রন্থ লখিন্দরের অদৃষাত্রায় গল্প সংখ্যা ছিল আট। বাদ বাকি গল্প ‘তরুণ লেখক প্রকল্প’ থেকে গল্পগ্রন্থ প্রকাশের জন্য বাংলা একাডেমির জিম্মাতেই রাখা ছিল। সেখান থেকে গল্প বাছাই করে আমি আরেকটা নতুন গল্পগ্রন্থ করব কিনা এ নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। তবে প্রতিবছরই বই করতে হবে বা বই প্রকাশ করা যে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, আমি ওই বয়স থেকেই  নিজের সাথে আমি একরকম বোঝাপড়া করে নিয়েছিলাম।

লখিন্দরের অদৃষ্টযাত্রা বইটা ভুলভালে যা-ইচ্ছে-তাই-অবস্থা হলেও গল্পগুলোর সাহিত্যমান নিয়ে অগ্রজ গুণী লেখকদের মূল্যায়ন আমাকে কিছুটা হলেও প্রশান্তি দিয়েছিল। আর বিগ-হাউস ‘প্রথম আলোর’ নির্বাচনে সেরা ১০ তরুণের একজন হওয়াতে আমার দগদগে ক্ষতের উপর কিছুটা হলেও তা মলমের প্রলেপ লাগানোর কাজ করেছিল। আদতে নানান ধুনফুন জড়ো করে আমি ভুলতে চাইছিলাম বইটার অজস্র ভুল বানানের বিভীষিকা। আর অত্যন্ত দৃষ্টিকটু প্রচ্ছদ।

‘খনা প্রকাশনের’ ডিস্ট্রিবিউশন প্রক্রিয়াও অত্যন্ত বাজে ছিল। এসব কিছু মিলিয়ে পাঠকের কাছে বইটা পৌঁছানোর কোনো সম্ভাবনাই ছিল না।

তার মানে আমার প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ লখিন্দরের অদৃষ্টযাত্রার অন্ধকার কূপের মাঝে চিরস্থায়ী অবস্থান প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কোনো পাঠক চাইলেও ওই বই তার হাতে পৌঁছানোর কোনো পথই আর খোলা ছিল না।

যা-ই ঘটছিল, আমি কিন্তু নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছিলাম। গল্প লিখছিলাম, ‘ধূলিচিত্র’ সম্পাদনা করছিলাম। এর মাঝে আরেকটা প্যারালল-টেক্সটের গল্প লিখলাম—‘হলুদ মেয়ের সীমান্ত’  নামে। পূর্বেই বলেছি এই ফর্মে লেখাটা অত্যন্ত শ্রমসাধ্য কাজ ছিল। গল্পের সিনপসিস কবিতায় বলে নেয়া একেবারে সহজ কিছু ছিল না। আর আমার অন্যান্য গল্পগুলোর মতোই ‘হলুদ মেয়ের সীমান্ত’ কোনো ছিঁচকাঁদুনে মেয়ের গল্প ছিল না। বা ইনানোবিনানো কোনো সস্তাপ্রেমের গল্পও নয়। গল্পটা ছিল যারা বহু শ্রমে হলুদ-মরিচ গুঁড়ো করে মশলা হিসেবে বাজারে বিক্রি করে তাদের নিয়ে । এবং আমাদের পুরুষতন্ত্রের অত্যাচারের লাঠি কিভাবে তাদের মাথায় অকারণেই আঘাত হানে সেসবের বিস্তারিত আখ্যান। আমাদের এই পশ্চাদপসরণ সমাজ কোনোভাবেই যে নারীর এম্পাওয়ারমেন্টকে মেনে নিতে প্রস্তুত নয়, আমি সেই বিষয়টাকেই আমার গল্পে উপজীব্য করতে চেয়েছিলাম। ‘লখিন্দরের অদৃষ্টযাত্রা’ গল্পটিও  ছিল এই প্যারালল-টেক্সটের ফর্মে লেখা। কিন্তু ওই গল্পটা ছিল ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের গল্প।

আরেকটা গল্পগ্রন্থ এত দ্রুত প্রকাশ করা ঠিক হবে কিনা এই নিয়ে আমি দোটানায় দুলতে থাকলাম। গিয়াসের বুদ্ধিটুদ্ধি চিরকালই ভালো ও অন্যদের কল্যাণের জন্য গিয়াস একেবারে দয়ার সাগর। গিয়াসের কাছে আমি জানতে চাইলাম—

গিয়াস, সামনের বছর আরেকটা বই প্রকাশ করা ঠিক হবে কিনা?

গিয়াস একেবারে মুহুর্ত মাত্র সময় না নিয়েই বলল—

নিশ্চয়ই। অবশ্যই তুমি আগামী মেলায় আরেকটা বই করবে। এ বছর তোমার বইয়ের যত সুনাম হয়েছে, সংবাদে সুব্রত বড়ুয়ার রিভিউ করেছেন এবং তোমার বইটা সেরা ১০ তরুণের একটা বই হয়েছে—এটা কন্টিনিউ করতে হলে অবশ্যই তোমাকে বই করতেই হবে।

গিয়াসের কথা শুনে আমি মনে যেন সামান্য ভরসা পেলাম। এত তড়িঘড়ি আরেকটা বই করা উচিত হবে কিনা বা নতুন পাণ্ডুলিপি গোছাব কিনা এই সংশয় থেকে আমি নিমিষেই উদ্ধার পেয়ে গেলাম।  

গিয়াসের সাথে আমার বরাবরই সেইরকমের আন্ডারস্ট্যান্ডিং—আমি ওর সমস্ত কথাকেই গুরুত্বসহকারে মেনে নেই বা নিব। সেটা গিয়াসের তরফ থেকেও ছিল বা আজও আছে। আমি কিছু বললে সে-কথাকে ও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য বলেই মনে করে ।

কালবিলম্ব না করে আমি দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি গোছাতে শুরু করলাম। কিন্তু আমার বই প্রকাশ করবে কে? ফের আরেক যন্ত্রণায় পড়া গেল দেখছি! আমি ফের কার কাছে যাব আমার এই বই প্রকাশের জন্য? আর কাউকে যে বলব কোনো প্রকাশককে বলে দিতে তা আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভবপর নয়। আমি কোনোকিছু নিয়েই কাউকে রিকোয়েস্ট করতে পারার মতো ব্যক্তিত্বহীন কোনোদিনই হতে পারি নাই।


গল্প লেখার সময় গল্প নিয়েও আমি কারো সাথেই কিছুই আলাপ করতাম না।


আমার সহসা মনে পড়ল কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবেরের কথা। সেই আশির দশক থেকে আমি সাবের ভাইয়ের মুগ্ধ-পাঠক ছিলাম। এ বিষয়ে অবশ্য আমার পার্টনারের অবদান স্বীকার করতেই হয়। আমার পার্টনারই খুঁজে খুঁজে সাবের ভাইয়ের সমস্ত নতুন বই আমাকে কিনে দিত। [তখন আমাদের প্রণয়কাল চলছিল। আমি ছিলাম এক কিশোরী, আর সেও সদ্য যুবক। আমার পার্টনারের কল্যাণে আমি বহু ভালো ও ক্ল্যাসিক সাহিত্য পড়ার স্কোপ পেয়েছিলাম। সেই আমাকে কিনে দিয়েছিল বঙ্কিম, শরৎ, মানিক, মাইকেলসহ বহু রচনাবলি এবং এইসব বই সে কিনে দিত তার স্টাইপেন্ডের টাকা থেকে। আমিও ছিলাম ভয়ানক ঘাড়ত্যাড়া—বই ছাড়া কোনোদিনই তার কাছ থেকে অন্য কোনো উপহারও আমি নিই নাই  

সাবের ভাইয়ের ‘পরাস্ত সহিস’ [১৯৮২, অরক্ষিত জনপদ [১৯৮৩ দিয়ে আমি তাঁকে পড়তে শুরু করেছিলাম। ‘কবেজ লেঠেল’ [১৯৯২ পড়েছি যখন, আমি তখন সন্তানের মা হয়েছি। সাবের ভাইয়ের ‘অবসাদ ও আড়মোড়ার গল্প’ [১৯৯৯ আমার সেইরকম টিউনের গল্প মনে হয়েছিল। সাবের ভাই মারাত্মক এক অদেখা-অবসাদকে আবিষ্কার করেছিলেন। নারীদের অন্যরকম মনোজগতের সন্ধান তিনি আমাদের দিয়েছিলেন। ওই সিরিজের প্রতিটা গল্পের মনোযোগী পাঠক ছিলাম আমি। ইস! তারপরে সাবের ভাইয়ের আরও কত কত কাজ! সর্বশেষ ‘কাফকা আসবে’ [২০১৯।

আমি যে সাবের ভাইয়ের এরকম ফ্যান ছিলাম সেটা তাঁকে কোনোদিনই বলি নাই। বইমেলাতে দিব্যপ্রকাশের স্টলে ভয়ানক গুরুগম্ভীর হয়ে বসে থাকা সাবের ভাইয়ের সাথে আমি ভয়ে কোনোদিন কথাই বলি নাই। শুধু বইগুলো কিনে উনার অটোগ্রাফ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসতাম।

একদিন অটোগ্রাফ দিতে দিতে সাবের ভাই মুখ না তুলেও বললেন—

কে ভাই আপনি? আমার সবগুলো বই-ই কিনেছেন?

আমি এ কথার কোনো জবাব দিই নাই।

সাবের ভাই তেমন সাহিত্যিক বলেই হয়তো আমার সর্বাগ্রে তাঁর কথাই স্মরণে এসেছিল। কিংবা মনে হয়তো সুপ্ত আশা ছিল—

সাবের ভাই নিশ্চয়ই আমার বইয়ের প্রকাশক হবেন। তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন আমার গল্পগুলোর আসল অবস্থা কী?

আমিও দুরুদুরু বুকে একদিন সাবের ভাইকে ফোন করে বই প্রকাশের ইচ্ছে জানালাম। সাবের ভাই বললেন—

ঠিক আছে আপনি আসেন। এসে আমার অফিসে পাণ্ডুলিপি দিয়ে যাবেন।

বইয়ের শিরোনাম নিয়ে আমি কারো সাথেই কোনো আলাপ করলাম না। যেমন গল্প লেখার সময় গল্প নিয়েও আমি কারো সাথেই কিছুই আলাপ করতাম না। আমার যা লিখতে ইচ্ছে করত লিখে যেতাম। গল্পগুলো কই যাবে বা যাচ্ছে বা যেতে পারে সেসব নিয়া কিছু ভাবার মতো সময় আমার ছিল না। আমি ছিলাম আমার নিজের রাজ্যে স্বাধীন এক রানি। যার কোনো রাজা নেই, যে ইচ্ছে হলেই ফুলবাগানে ঘুরে বেড়ায়। ঘুম পেলে ফুলের পাপড়িদের উপর ঘুমিয়ে পড়ে আর ফুলের মধু খেয়ে দিনাতিপাত করে।

সাবের ভাইকে আগেভাগে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাখলাম। নির্দিষ্ট দিনে আমার পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে সাবের ভাইয়ের অফিসে চলে গেলাম। সাবের ভাই অত্যন্ত আন্তরিকভাবে আমাদের রিসিভ করলেন। কিন্তু আমি যথারীতি ভয়, সঙ্কোচ ও লেখক হওয়ার লজ্জায় মিইয়ে রইলাম। সাবের ভাই বললেন—

পাপড়ি, বইটা দিব্যপ্রকাশ করবে। কিন্তু বই প্রকাশের পর যদি পারেন, তাহলে কাউকে দিয়ে একটা রিভিউ করিয়ে দিয়েন। রিভিউ ছাড়া অতি ভালো লেখাও পাঠকের কাছে পৌঁছানো মুশকিল।

আমার মাথায় ফের আকাশ ভেঙে পড়ল। আমি চিনি শুধু সুব্রতদাকে। এখন এই বইটির জন্য আমি ফের কাকে কী বলব?

আমি বিনয় নিয়ে বললাম—

সাবের ভাই, আমি তো তেমন কাউকে চিনি না।

সাবের ভাই বললেন—

তাহলে তো পাঠকের কাছে আপনার পৌঁছাতে অনেক দেরি হবে। এত সহজে আপনি খ্যাতি পাবেন না। অনেক দেরি হয়ে যাবে, পাপড়ি।

আমি আস্তে আস্তে বললাম—

কত দেরি হবে সাবের ভাই? হোক দেরি হোক, কিই-বা তাতে তেমন যাবে বা আসবে?

সাবের ভাই হয়তো আমার কথা শুনে অবাক হয়েছিলেন। তারপর আমরা চলে এসেছিলাম।


আমার সবকিছুতেই সত্যিই অনেক দেরি হলো। দেরি হয়, হচ্ছে।


‘দিব্যপ্রকাশ’ থেকে আমার দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হলো। উত্তম সেনের করা চমৎকার প্রচ্ছদে। প্রায় নির্ভুল একটা বই হাতে পেয়ে আমার চোখ বারংবার জলে ভিজে উঠতে লাগল। হলুদ মেয়ের সীমান্ত বইটাতে আমি নিজের কোনো ফটোগ্রাফ বা অটোগ্রাফ কিছুই দিলাম না। বুককভারের দুইদিকের ব্লার্বই খালি রাখলাম। সাবের ভাইও প্রকাশক হিসেবে আমার এই ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়েছিলেন। আমি চাই নি ঢঙঢাঙ করে ব্লার্বে নিজের কোনো ছবি সেঁটে দিতে। [নিজের চেহারাকে কোনো অবস্থাতেই কোনোদিনই পণ্য করি নি চাই নি নিজের সম্পর্কে একটি বাক্যও লিখতে! [সেই থেকে বদভ্যাস, নিজের বইয়ের ব্লার্ব কোনোদিন আমি নিজে লিখি নি, আজ অব্দি নয়।

সাবের ভাইয়ের কথা সত্য ছিল—পাপড়ি অনেক দেরি হয়ে যাবে।

সত্যিই, সাবের ভাই, আমার সবকিছুতেই সত্যিই অনেক দেরি হলো। দেরি হয়, হচ্ছে। কত ট্র্যাশ লেখকেরা কতকিছুই না করে ধামাধাম খ্যাতিমান হয়ে গেল? কত চোরাগুপ্তা পথে পুরস্কার বাগিয়েটাগিয়ে, পুরস্কারের টাকা বস্তা ভরে বাড়ি নিয়ে গেল! কেউ কেউ দুই হাতে বৈদেশিক মুদ্রা ছড়িয়েছিটিয়ে ‘লেখক তকমা’ কিনে নিয়ে মনের আনন্দে দিন গুজরান করতে লাগল!  অথচ আমি বোকা কিনা হা করে তাকিয়ে রয়েছি মহাকালের পানে? হায়! মহাকাল! হায় আমার লেখকজীবন!

নিবিড় অরণ্যের মাঝে ঝিরির নিরবধি জলের তলায় এতটুকুন এক নুড়ি পাথর হয়ে পড়ে আছি আর উপলব্ধি করছি অশ্বারোহী সময়ের ছুটে চলা! দেখা যাক, সময় কাকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করিয়ে দেয়?


পর্ব-২৪

পাপড়ি রহমান

পাপড়ি রহমান

জন্ম ১৯৬৫, ঢাকা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং...বিস্তারিত

এই লেখকের সব লেখা