আমার একলা পথের সাথি : ৪৫

                                     পর্ব-৪৪

পর্ব-৪৫

জীবনের নানান চড়াই-উতরাইয়ে কিভাবে যেন গ্রন্থ আর সংগীতে শরণ নিয়েছিলাম। কোনো মানুষের কাছে নয়, নদী বা সমুদ্দুরের কাছে নয়, পাহাড় নয়, উপত্যকা নয়, ফুল-পাখি-প্রজাপতি—কিচ্ছুটি নয়—বেদনা-বিষাদে, চারপাশ অন্ধকার-করা বিষম-দুঃখে সুরের ঝরনাতলায় নির্বাণ চেয়েছি। আর কি-না গ্রন্থতেই পরিত্রাণ লভেছি। যখন কৈশোরিক-প্রণয়ে আবেগাক্রান্ত হয়েছি, বাইবেলের মতো নিত্য পাঠ করেছি সোনালি কাবিন, পাঠ করেছি পরানের গহীন ভিতর

সে কোন বাটিতে কও দিয়াছিলা এমন চুমুক—/ নীল হয়া গ্যাছে ঠোঁট, হাত পাও শরীল অবশ,/ অথচ চাওনা তুমি এ ব্যাধি কখনো সারুক।/  আমার জানতে সাধ, ছিল কোন পাতার সে রস?/ সে পাতা পানের পাতা মানুষের হিয়ার আকার?/ নাকি সে আমের পাতা বড় কচি ঠোঁটের আকার?/ অথবা বটের পাতা অবিকল মুখের গড়ন?/ তুঁতের পাতা কি তয়, বিষনিম, নাকি ধুতুরারা?/ কতবার গেছি আমি গেরামের শেষ সীমানায়/ আদাড় বাদার দিয়া অতিঘোর গহীন ভিতরে,/ কত না গাছের পাতা কতবার দিয়াছি জিহ্ববায়,/ এমন তো পড়ে নাই এই পরানে, শিকড়ে।/ তয় কি অচিন বৃক্ষ তুমি সেই ভুবনে আমার,/ আমারে দিয়াছো ব্যাধি, নিরাময় অসম্ভব যার?/ 

[পরানের গহীন ভিতর

পরানের গহীন ভিতর গ্রন্থের কবির সাথে আমার কালেভদ্রে দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে একুশের বইমেলায়। তখন তিনি কবি আর আমি আম-পাঠকের কাতারে। ভয়ে-সংকোচে জড়সড় হয়ে দূরে কোনো ভিড়ভাট্টার সাথে মিশে থেকেছি। কবির উপন্যাস খেলারাম খেলে যা নিয়ে যখন চারদিকে হইচই, আমি তখন অষ্টাদশী মাত্র। খুব মন লাগিয়ে পড়লাম কবির উপন্যাস। কিন্তু ওই বয়সেই এ উপন্যাস আমার কাছে কিছুতেই অশ্লীল মনে হলো না, বরং উলটা বাবর আলির জন্য মায়া-মমতায় খানিকটা পর্যুদস্ত হলাম। [পরবর্তীতে এ উপন্যাস নিয়ে হক ভাইয়ের সাথে তাঁর বাসায় একদিন কথা বলেছিলাম। উনি দাঁতে জিভ কেটে খানিকটা শরমিন্দিত ভঙ্গিতে বলেছিলেন, এটা বহু আগে লেখা।

আমি পালটা বলেছিলাম, এই উপন্যাসকে কেন যে অশ্লীল বলা হলো হক ভাই? আমার তো বাবর আলির জন্য মায়াই লেগেছে। আহা! বেচারা!

সৈয়দ শামসুল হকের সাথে সামনাসামনি কথা বলার সুযোগ এল বাংলা একাডেমিতে ‘তরুণ লেখক প্রকল্পের’ কোর্স চলাকালীন সময়ে। হক ভাই এলেন আমাদের ক্লাস নিতে। বাংলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে আলোর নান্দনিক বিচ্ছুরণের মাঝে আমি ডায়েরি হাতে ছুটলাম কবির অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য। কবিও অটোগ্রাফ দিলেন সানন্দ-চিত্তে।


‘আচ্ছা হক ভাই, আপনি কি চোখে দেখতে পান না? আমি মালা পরেছি, পুঁতির মালা! চোখে কি আজকাল আর একেবারেই দেখেন না নাকি?‘


আমি হক ভাইকে যেমন পড়ছিলাম, আনোয়ারা সৈয়দ হক আপাকেও একইরকম পড়ছিলাম। অবশ্য আনোয়ারা আপার প্রথম উপন্যাস তৃষিতা প্রকাশিত হয়  ১৯৭৬ সালের দিকে। আমার কৈশোরিক-ভালোলাগা, অন্ধ-আবেগের সাথে হক ভাই ও আনোয়ারা আপা দুজনই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন।

সংগঠন ‘গাঁথার’ কর্ণধার নিয়াজ জামানকে একদিন বললাম, হক ভাইকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। উদ্দেশ্য, অত্যন্ত কাছ থেকে হক ভাইয়ের কথা শোনা ও উনাকে দেখা। নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ধানমন্ডির বেঙ্গল ক্যাফেতে হক ভাই এলেন সস্ত্রীক। অত্যন্ত স্মার্ট ও জ্ঞানী মানুষ দুজনেই। ওইদিন আমরা হক ভাইকে অতি নিকটে পেলাম। হক ভাই ফ্লানেলের ফুলহাতা চেক শার্ট আর জিন্সের প্যান্ট পরে আমাদের নানা বিষয়ে কথা বলে গেলেন।

‘গাঁথাতে’ আমরা আনোয়ারা আপাকে প্রায় নিয়মিতই পেয়েছি। আর হক ভাইকে মাঝেসাঝে। হক ভাইকে যখনই কাছে পেয়েছি, আমি উনার পিঠে আলতো করে হাত রেখেছি। হাত রাখতে রাখতে গাঁথার দুই সদস্য বন্ধু রত্না আর জ্যাকীকে বলেছি—

দেখো, উনি কিন্তু আর খুব বেশিদিন নাই আমাদের মাঝে। তাই যখনই আমি হক ভাইয়ের কাছাকাছি আসার সুযোগ পাই, শ্রদ্ধাভরে তাঁর পিঠে হাতের আলতো স্পর্শ রাখি।

এসব কথা শুনে জ্যাকী আর রত্না মুহূর্তে বিষণ্ণ হয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থেকেছে আমার দিকে।

হক ভাইয়ের সাথে দেখা হলেই চট করে যে কবিতার লাইনগুলি আমাকে একেবারে ভাসিয়ে নিয়ে যেত—

কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর?/ ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যে থাকে?/  উত্তর শিথানে গাছ, সেই গাছে পাখির কোটর/ আছে নাকি? পাখিরা কি মানুষের গলা নিয়া ডাকে?/ যখন তোমার দ্যাখা জানা নাই পাবো কি পাবো না,/ যখন গাছের তলে এই দেহ দিবে কালঘুম,/ যখন ফুরায়া যাবে জীবনের নীল শাড়ি বোনা,/  তখন কি তারা সব কয়া দিবে আগাম-নিগুম?/ আমার তো দ্যাশ নাই, নদী নাই, ঘর নাই লোক,/ আমার বিছানে নাই সোহাগের তাঁতের চাদর,/ আমার বেড়ায় খালি ইন্দুরের বড় বড় ফোক,/  আমার বেবাক ফুল কাফনের ইরানী আতর।/ তোমার কি সাধ্য আছে নিয়া যাও এইখান থিকা,/ আমার জীবন নিয়া করো তুমি সাতনরী ছিকা?/

নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করি এই ভেবে, এই কবিতার কবিকে অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার বহুবার হয়েছে। প্রথমবার উনাকে নিবিড়ভাবে দেখার সুযোগ হলো সার্ক লিটেরারি ফেস্ট, দিল্লিতে গিয়ে। সর্বত্রই তিনি একইরকম স্মার্ট—কী পোশাকে কী ব্যক্তিত্বে! অতি অবশ্যই জ্ঞানে এবং প্রজ্ঞায়। আমার আজও স্পষ্ট মনে পড়ে, রবীন্দ্রনাথের কবিতার পঙ্‌ক্তি—‘তুমি রবে নীরবে, হৃদয়ে মম’ ইত্যাদি লেখা ‘রঙের’ শাদা-লাল-হালকা সবুজ মেশানো একটা শাড়ি পরেছিলাম আমি। আর গলায় পরেছিলাম নানান রঙের পুঁতির লম্বা ঝুলানো মালা। [মালাগুলি ছিল আমার তখনকার একনিষ্ঠ প্রেমিকের দেয়া উপহার! হক ভাইয়ের কাছাকাছি হতেই উনি গলায় কৌতুক ফুটিয়ে জানতে চাইছিলেন—

‘পাপড়ি তুমি গলায় কী পরেছ এইগুলি?’

আমি বেশ সঙ্কোচ দিয়ে জবাব দিচ্ছিলাম—

‘এই তো হক ভাই, কী আর, মালা পরেছি।‘

কিন্তু হক ভাই যতবার আমার সামনে দিয়ে যেতে লাগলেন, ততবারই বলতে লাগলেন—

‘পাপড়ি, কী পরেছ তুমি গলায়?’

আমিও বোকার মতো একই জবাব দিতে লাগলাম।

খানিক বাদেই আমি বুঝতে পারলাম উনি কৌতুক করে এবং আমাকে রাগানোর জন্যই একই কথা বারবার বলছেন।

এরপরে হক ভাই জিজ্ঞেস করতেই আমিও কপট রাগে বললাম—

‘আচ্ছা হক ভাই, আপনি কি চোখে দেখতে পান না? আমি মালা পরেছি, পুঁতির মালা! চোখে কি আজকাল আর একেবারেই দেখেন না নাকি?‘

আমার জবাব শুনে হক ভাই মৃদু-শব্দে হাসতে লাগলেন। আমাদের পাশে দাঁড়ানো বাংলা একাডেমির ডিজি শামসুজ্জামান খানও সে হাসিতে যোগ দিলেন।

সার্ক লিটেরারি ফেস্টে যেবার লক্ষ্ণৌ গেলাম সেবার হক ভাই ও আনোয়ারা আপাকে একেবারে নিজের পরিবারের মতো করে কাছে পেলাম। লা-লেভেনার চেইনের একটা অতি-মনোরম হোটেলে আমাদের রাখা হয়েছে। নিত্য ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনারে আমাদের দেখা হতে লাগল। আমি বা অন্যেরা সমীহ করে হক ভাই-আনোয়ারা আপার টেবিল বাদ দিয়ে বসতে লাগলাম। একদিন হক ভাই আনোয়ারা আপাকে বললেন আমাদের ডাক দিতে।

আনোয়ারা আপা হাত ইশারায় ডাকলেন আমাদের। আমি কাছে যেতেই বললেন—

হক ভাই বলছেন, তোমরা আমাদের টেবিলে এসে বসতে পার।

আপা বললেন, ঠিকই, কিন্তু খাবার নিয়ে হক ভাইদের টেবিলে যেতে আমি অনিচ্ছুক রইলাম।

সারাদিন সাইট সিইংয়ে বড় ইমামবাড়া, ছোট ইমামবাড়ায় ঘুরতে ঘুরতে হক ভাই আমাদের চেনাতে লাগলেন ‘ভুলভুলাইয়া’ কী বা কাকে বলে?

স্ট্রিটফুডের দিকে আমার বরাবরের ঝোঁক। একদিন ভ্যানের স্প্রেড-সিডস কিনতে আমি বাস থেকে নেমে পড়লাম। হক ভাই ও আনোয়ারা আপাও নামলেন।

আমি হক ভাইকে বললাম, ‘হক ভাই, আমাকে এই কুড়মুড়ে কিনে দিন।‘

পলকেই হক ভাই পকেটের ওয়ালেটে হাত দিলেন ও রুপি বের করে দাম চুকিয়ে দিলেন। কালবিলম্ব না-করে এই অভাবনীয় মুহূর্ত আমি ক্যামেরায়-বন্দি করে ফেললাম সহযাত্রীদের অনুরোধ করে। আনোয়ারা আপা পাশে দাঁড়িয়ে হাসতে লাগলেন। কী অদৃশ্য কারণে এই দুই-মানুষই আমার নানান আবদার, নানান পাগলামিকে স্নেহের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে লাগলেন!

এই দম্পতির সঙ্গে আমার শ্রদ্ধা-স্নেহের একটা অব্যাখ্যাত সম্পর্ক গড়ে উঠতে লাগল।

আমি স্বভাবে প্রগল্‌ভ [বাচাল বলাই সমীচীন মনে করি, ছটফটে [আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত/ আমি সেইদিন হব শান্ত  আনকোরা-খানাখাদ্য-কালচার-স্থানের প্রতি আমার সবিশেষ-আগ্রহ চিরকালের।

সার্ক লিট ফেস্টের সারি সারি সাজানো শত-খাদ্যের মাঝ থেকে আমি খুঁজে বেড়াই অচেনা কোনো কুইজিন। যাহা খাই নাই, তাহাই খাইতে চাই—এই মনোভাব সদাই। তো একদিন ডিনারে তীক্ষ্ণ চোখে পড়ে চলেছি শত-খাদ্যের নামধাম-চেহারা। ‘হরিয়ালি মিট’ নাম দেখে মহানন্দে পাতে তুলে নিলাম। ‘হরিয়াল পাখির মাংস’ কবেই বা আর কোন জনমে চেখে দেখতে পারব?

হক ভাই আর আনোয়ারা আপা ডিনারে এলেন। খাবার নিয়ে বসলেন আমাদের টেবিলে। আমাকে দেখলেই হক ভাইয়ের সেই চির-কৌতুককর প্রশ্ন আর আমাকে রাগিয়ে দেবার পাঁয়তারা। মৃদু-গলায় জানতে চাইলেন—

‘তুমি কী খাচ্ছ ,পাপড়ি?’

আমি সোৎসাহে বললাম—

‘হক ভাই, হরিয়াল পাখির মাংস খাচ্ছি। কোনোদিন খাই নি কিনা?’

আমার কথা শুনে হক ভাই থমকালেন। চোখ দুটো সরু করে আমার দিকে তাকাতে তাকাতে বললেন—

‘এটা তো হরিয়াল পাখির মাংস নয়, এটা সবুজ করে রান্না মাংস।‘

আমি বললাম—

‘কিন্তু লেখা যে দেখলাম হরিয়ালি-মিট। ‘

হক ভাই হাসতে হাসতে বললেন—

‘এই হরিয়ালি মানে সবুজ। বোঝ নাই? হরিৎ থেকে হরিয়াল।’

ঝটিতি আমার মনে পড়ে গেলে—

‘কোথায় এমন হরিৎক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে
এমন ধানের ওপর ঢেউ খেলে যায়
বাতাস কাহার দেশে?’

আমি গুনগুনিয়ে গেয়ে বললাম।


হক ভাই একা একা পায়চারি করছেন। অন্যান্য দিনের মতো কৌতুক করে কিছুই বললেন না আমায়। বরং কিছুটা যেন গম্ভীর ও আনমনা।


‘ওহো এই হরিয়াল মানে হরিতক্ষেত্রের হরিত। বুঝতে পেরেছি হক ভাই। কিন্তু আমি যে হরিয়াল-পাখির মাংস মনে করে পাতে তুলে নিয়েছি, এখন কী হবে বলুন?’

আমার কথা শুনে ডাইনিংয়ে উপস্থিত সকল বাংলা-ভাষাভাষীরা হো হো করে হাসতে লাগলেন।

‘দ্য ডেইলি স্টার’ হক ভাইয়ের একক কবিতা-সন্ধ্যার আয়োজন করেছে। হক ভাই ও আনোয়ারা আপার আন্তরিক দাওয়াত পেয়েছি। এখন কী করি? বন্ধু রত্না তখন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ইংরেজির হেড। ওকে বলতেই ও রাজি। দুজনেই ছুটলাম একক কবিতা পাঠ শুনতে। হক ভাই একা একা পায়চারি করছেন। অন্যান্য দিনের মতো কৌতুক করে কিছুই বললেন না আমায়। বরং কিছুটা যেন গম্ভীর ও আনমনা। তুখোড় বাদল দিনে শুরু হলো সরোদ আর কবিতার যুগলবন্দি। আমরা বসেছি দর্শক আসনের দ্বিতীয় সারিতে। কিন্তু আনোয়ারা আপা আমাদের প্রায় জোর করেই প্রথম সারিতে বসিয়ে দিলেন। শুরু হলো হক ভাইয়ের পাঠ। আমরা মুগ্ধ হয়ে শুনতে লাগলাম। হক ভাইয়ের কণ্ঠের ওঠা-নামা আর বাইরে মুষল-বাদল। তার সঙ্গে বেজে চলেছে সরোদ। সে এক অবিস্মরণীয়-সন্ধ্যা। আমি আর রত্না দুজন দুজনের দিকে তাকালাম—চোখে জল টলটল করছে আমাদের! কবিতা শুনেও যে তুমুল কান্না পায়—আমাদের প্রথম অভিজ্ঞতা!

অজস্র বিহঙ্গের গান আমি শুনেছি হক ভাইয়ের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে। শত-সহস্র পুষ্পকে প্রস্ফুটিত হতে দেখেছি। সেসব সংগীত ও প্রস্ফুটনের রাশি রাশি কথামালা হয়তো কোনো একদিন অন্য কোথাও অন্যভাবে লিপিবদ্ধ করে যাব। আজ আর  সবকিছুকে একসাথে জড়ো করতে চাই না।

আমি কে তা নাইবা জানলে।/ আমাকে মনে রাখবার দরকার কি আছে?/ আমাকে মনে রাখবার?/ বরং মনে রেখো নকল দাঁতের পাটি,/ সন্ধ্যার চলচ্চিত্র আর জন্মহর জেলি।/ আমি এসেছি, দেখেছি, কিন্তু জয় করতে পারিনি।/ যে কোনো কাকতাড়ুয়ার আন্দোলনে,/  পথিক, বাংলায় যদি জন্ম তোমার,/ আমার দীর্ঘশ্বাস শুনতে পাবে।।/

[এপিটাফ, সৈয়দ শামসুল হক


পর্ব-৪৬

পাপড়ি রহমান

পাপড়ি রহমান

জন্ম ১৯৬৫, ঢাকা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং...বিস্তারিত

এই লেখকের সব লেখা